আজ শনিবার, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৯ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলার আপেলখ্যাত চন্দনাইশের অর্গানিক পেয়ারা

আরো খবর

প্রতিনিধি,(চন্দনাইশ)চট্টগ্রাম :
সুজলা-সুফলা শস্য শ্যামলে ভরা সবুজের সমারোহ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।দেশে প্রতি বছর ঋতু বৈচিত্র্যের আবহে বিভিন্ন প্রজাতির শস্য ভান্ডার ও ফল-মূল’র দেখা এই সবুজের প্রত্যন্ত অঞ্চলে।ঠিক এর মাঝে দক্ষিণ চট্টলার ঐতিহ্যসমৃদ্ধ চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় ও পাহাড়ের পাদদেশে সৃজিত বাগানের স্বাস্থ্যসম্মত পেয়ারা পুরোদমে বাজারে আসতে শুরু করেছে।রাসায়নিক সার ও কিটনাশক প্রয়োগ ব্যতিরেকে উৎপাদিত স্বাদে-গুণে ভরপুর চন্দনাইশের পেয়ারার কদর রয়েছে সারা দেশব্যাপী। প্রতি বছর মৌসুম শুরু হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের হাট-বাজারগুলোতে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের আনাগোনা বেড়ে যায়।পেয়ারা বহন ও বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৫-২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।এখানকার চাষীরা অত্যান্ত সাহসিকতার সাথে গভীর রাতে দলবেঁধে পাহাড়ের পাদদেশে পেয়ারা সংগ্রহ করতে বাগানে চলে যান।ভোরের আলো ফুটতেই কাঁধে করে পেয়ারার ভার নিয়ে ৫/৬ কিলোমিটার মেঠোপথ পাড়ি দিয়ে অস্থায়ী বাজারে আসেন পেয়ারা বিক্রির উদ্দেশ্যে।লালসালু কাপড় দিয়ে মোড়ানো পুঁটলিতে বাঁধা অবস্থায় থরে থরে সাজানো থাকে পেয়ারার ভারগুলো। বর্তমানে প্রতি ভার (দুই পুঁটুলি) বিক্রি হচ্ছে ১হাজার থেকে ১২শ টাকা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারি ক্রেতারা ভার কিংবা শ’ হিসেবে কিনে নিলেও বাজারে খুচরা বিক্রি করেন ডজন হিসেবে। বড় সাইজের প্রতি ডজন পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা, মাঝারি সাইজের পেয়ারা ৬০/৭০ টাকা এবং ছোট সাইজের পেয়ারা ৪০/৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। মৌসুমের শুরু হওয়ায় বর্তমানে দাম কিছুটা বেশি। মাঝামাঝি সময়ে দাম কমলেও মৌসুমের শেষ দিকে আবারো পেয়ারার দাম বেশি হবে বলে জানান কয়েকজন পেয়ারা বিক্রেতা।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জুলাই ২০২১/ আর এম
- Advertisement -
- Advertisement -