8:32 pm |আজ শনিবার, ৩১শে আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৬ই অক্টোবর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
ঈদগাঁও রেঞ্জের অভিযানে ১ একর বনভূমি জবরদখল মুক্ত ফেনীতে আশংকাজনক হারে বাড়ছে  জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একই পরিবারের ৪জনসহ নিহত ৬  হলোখানা ইউনিয়ন সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্দ্যেগে বকনা বাছুর বিতরণ রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন কোরআন অবমাননার প্রতিবাদে নবীনগরে হিন্দু-মুসলিম মিলে মানববন্ধন  বেগমগঞ্জ চৌমুহনীতে ১৪৪ ধারা ভেঙে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সমাবেশ ও সাংবাদিকের উপর হামলা ধামইরহাটে বেনিদুয়ার ক্যাথলিক ধর্ম পল্লীতে দম্পতি সেমিনার অনুষ্ঠিত কাঁঠালিয়ায় পর্যটন কেন্দ্রে যাতায়াতের রাস্তা প্রশস্তের দাবীতে মানববন্ধন বিরুলিয়া ২নং ওয়ার্ড নেতা তাইজুল ইসলামের ভোট প্রার্থনা শুরু




করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ফকির আলমগীর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ফকির আলমগীর




আলোকিত ডেস্ক :

করোনার কাছে হার মেনে চলে গেছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ও কিংবদন্তি গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। আজ শনিবার বিকালে রাজধানীর তালতলা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে গত বুধবার (১৪ জুলাই) ফকির আলমগীরের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। এজন্য তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় হাসপাতালের কোভিড ইউনিটে ভর্তির পরপরই তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে রবিবার (১৮ জুলাই) আইসিইউ থেকে তাকে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। শুক্রবার তার হার্ট অ্যাটাক হয়। ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাচেন উদ্দিন ফকির, মা বেগম হাবিবুন্নেছা। ফকির আলমগীর কালামৃধা গোবিন্দ হাই স্কুল থেকে ১৯৬৬ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এমএ পাস করেন। ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের সদস্য হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সঙ্গীত বলয়ে প্রবেশ করেন।’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে শিল্পী একজন শব্দ সৈনিক হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দেন। অবশ্য এর আগে ষাটের দশক থেকেই গণসংগীত গেয়ে আসছিলেন তিনি। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে অসামান্য ভূমিকা রাখেন তিনি। স্বাধীনতার পর ফকির আলমগীর পপ ঘরানার গানে যুক্ত হন। পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে বাংলার লোকজ সুরের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি বহু গান করেছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’, ‘শেরেবাংলা পদক’, ‘ভাসানী পদক’, ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার’, ‘তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক’, ‘জসীমউদ্‌দীন স্বর্ণপদক’, ‘কান্তকবি পদক’, ‘গণনাট্য পুরস্কার’, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা’, ‘ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার’, ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড যুক্তরাষ্ট্র’, ‘জনসংযোগ সমিতি বিশেষ সম্মাননা’, ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিশেষ সম্মাননা’ ও ‘বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ’ পুরস্কারে তাকে ভূষিত করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৪জুলাই-২১/এইচ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান