নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৬ শতাধিক পরিবার। দীর্ঘ ৯ মাস যাবত সেবা বঞ্চিত হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরা। যানা গেছে পরিবার কল্যান সহকারী স্বপ্না বিশ্বাসের খামখেয়ালীপনা, দুর্নীতি, অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার কারণে দীর্ঘ দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই মহতি উদ্যোগ ভেস্তে গেছে।
নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৬ শতাধিক পরিবার। দীর্ঘ ৯ মাস যাবত সেবা বঞ্চিত হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরা। যানা গেছে পরিবার কল্যান সহকারী স্বপ্না বিশ্বাসের খামখেয়ালীপনা, দুর্নীতি, অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার কারণে দীর্ঘ দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই মহতি উদ্যোগ ভেস্তে গেছে।
তার দায়িত্বে অবহেলার কারণে , জন্ম বিরতিকরণ ইনজেকশন,গর্ভধারণ ও পুষ্টি বিষয়ে কাউন্সিল, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক পরামর্শ , বাল্য বিবাহ সচেতন বিষয়ক কর্মশালা, স্থায়ী জন্ম বিরতিকরণ সেবা সহ সব ধরনের পরিবার পরিকল্পনা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী । বিষয়টি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার মল্লিককে একাধিক বার জানালেও কোন রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জানা গেছে নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের ২/ খ ইউনিটের পরিবার কল্যান সহকারী সপ্না রানী সিকদার এবং একই ইউনিয়নের ২ /ক ইউনিটের পরিবার কল্যাণ সহকারী স্বপ্না বিশ্বাস দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে । কিন্তু স্বপ্না বিশ্বাস তার নিজের ইউনিটিতে কাজ না করে স্বপ্না রানী সিকদারের দায়িত্বরত ইউনিটিতে জোরপূর্বক কাজ করছেন। দীর্ঘ দিন যাবত দুই জনই একই এলাকায় কাজ করছে। যার কারণে পরিবার পরিকল্পনা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ইউনিয়নের ২/ক ইউনিটের পরিবারগুলো। ২ / ক ইউনিটি এলাকা নদীর কুল বর্তী হওয়ার কারণে এবং কাদা রাস্তা হওয়ায় ওই এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা দিতে রাজি না স্বপ্না বিশ্বাস । সুচতুর এই স্বপ্না বিশ্বাস পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের চিঠিকে বৃদ্ধা আঙ্কুলি দেখিয়ে ২ /ক ইউনিটি যেখানে স্বপ্না সিকদার দায়িত্ব পালন করছে সেই ইউনিটিতে দায়িত্ব পালন করছে। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার মল্লিকে নগদ নারয়নে তুষ্ট করে এহেন দায়িত্ব পালন করছে স্বপ্না বিশ্বাস। এ বিষয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যলয়, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে তাদের নিজ নিজ বিভাজনকৃত এলাকায় সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য চিঠি দিলেও কোন রকম ভাবে মানা হচ্ছে না সরকারী চিঠি।
সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে জোর পূর্বক অন্য ইউনিটিতে কাজ করার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপ্না বিশ্বাস বলেন, আমি ও সব সরকারি চিঠি মানি না। আমি ৯ বছর ধরে ২/ খ ইউনিটে কাজ করছি। তার দায়িত্বরত এলাকায় মানুষ সেবা বঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে বলেন, কারা সেবা পেল কি না পেল এটা আমার দেখার বিষয় না।
শেখহাটি ইউনিয়ন এফ,পি আই বিশ্বজিৎ দাস বলেন, স্বপ্না বিশ্বাস দীর্ঘ দিন ধরে দায়িত্বে অবহেলা করছে। আমার কথা শোনে না। সরকারি চিঠি ও মানে না। রাজনৈতিক নেতা দিয়ে ভয় দেখায়।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার মল্লিক বলেন, স্বপ্না বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি স্বপ্না সিকদারের এরিয়ায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে কাজ করছে। তার নিজ ইউনিটিতে কাজ করার জন্য চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কাজ করে না। করোনা মহামারি চলে গেলে এ বিষয়টা সমাধান করা হবে।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ( এডি) তুহিন কান্তি ঘোস মুঠোফোনে বলেন, আমি নতুন এসেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/ ১৭ জুলাই,২০২১/ দ ম দ
- Advertisement -

