8:23 pm |আজ শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৭শে নভেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি




বাকবিতণ্ডা পেছনে ফেলে চতুর্থবার শপথ নিলেন-সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

বাকবিতণ্ডা পেছনে ফেলে চতুর্থবার শপথ নিলেন-সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট




আলোকিত ডেস্ক :

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে চতুর্থবারের মতো শপথ নিয়েছেন বাশার আল-আসাদ। শনিবার দেশটির সংসদে নতুন মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ করেন তিনি। সিরিয়ান গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এবার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে আগামী সাত বছর ক্ষমতায় থাকছেন দেশটির এ স্বৈরশাসক। শপথ শেষে বাশার আল-আসাদ বলেন, অনেকেই সিরিয়াকে ভেঙে টুকরো টুকরো করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণ ঐক্যবন্ধ থেকে শত্রুদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটার উপস্থিত হয়েছিল দাবি করে বিষয়টির প্রশংসা করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশটির রাজনীতিবিদ, আলেম, ক্রীড়াবিদ, সাংবাদিক, শিল্পী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাশার আসাদ ৯৫ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। তবে বাশারবিরোধীরা এ নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মূলত সরকারনিয়ন্ত্রিত এলাকায়। বিদেশে সিরীয় কয়েকটি দূতাবাসেও ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। তবে নির্বাচনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রতিবাদ হয়েছে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব প্রদেশে। সিরিয়ার নির্বাসিত বিরোধী নেতারা এ নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এ ছাড়া ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক বিবৃতিতে সিরিয়ার নির্বাচনকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া বিবৃতিতে তারা বলেছেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধান ছাড়া এটি অবাধও নয়, সুষ্ঠুও নয়। ৫৫ বছর বয়সি বাশার আল-আসাদ ২০০০ সাল থেকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।  তার বাবা হাফেজ আল-আসাদ প্রায় ২৫ বছর সিরিয়া শাসন করেছেন। তার পর দায়িত্ব নিয়েছিলেন বাশার। সিরিয়াজুড়ে গৃহযুদ্ধের মধ্যে ২০১৪ সালে দেশটিতে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিরোধীরা ওই নির্বাচন বর্জন করেছিল। প্রায় ১০ বছরের গৃহযুদ্ধে সিরিয়া এখন বিপর্যস্ত। ২০১১ সালে বাশার আল আসাদের সরকারের বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরকারি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে এ গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। এ লড়াইয়ে প্রায় তিন লাখ ৮৮ হাজার মানুষ মারা গেছেন এবং দেশটির প্রায় অর্ধেক মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এর মধ্যে বিদেশে শরণার্থী শিবিরে আছেন প্রায় ৬০ লাখ মানুষ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭জুলাই-২১/এইচ

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান