আজ শুক্রবার, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আশুলিয়ায় ব্যাপক বাণিজ্যে বাল্যবিবাহ

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিনিধি:
আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়ন এলাকায় প্রায়ই চলছে বাল্য-বিবাহ , ব্যাপক বাণিজ্যে মেতে উঠেছে নামধারী কাজীগণ । জনমনে বিরাজ করছে ক্ষোভ, সৃষ্টি হচ্ছে দাঙ্গা-হাঙ্গামা । জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ২১ মে শিমুলীয়া ইউনিয়নের রনস্থল গ্রামে মোঃ শাকিল ১৪,পিতা-মোঃ বাদশা দর্জি বনাম মোছাঃ রেশী খাতুন ১২ ,পিতা-মোঃ ফারুক নামে দুই নাবালক-নাবালীকাকে বাল্য-বিবাহ দেওয়া হয়েছে । সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যল্যবিবাহের ধুম চলছে এলাকাটিতে । মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিয়মিত বিবাহ পড়াচ্ছেন বটতলা বায়তুল আতিক জামে মসজিদের ইমাম মো: ইয়াকুব আলী । তিনি শিমুলীয়া ইউনিয়নের নামধারী কাজী জামানের সহকারী । এ সময় হৃদয় আহমেদ( জিয়া) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ বাল্যবিবাহে বাঁধা দিলে ঐ সহকারী কাজী ইয়াকুব আলীর সাথে বাগবিতর্ক ও হাতাহাতি হয় ।বাল্য-বিবাহ এর বিষয়ে জানতে চাইলে, ইয়াকুব আলী সংবাদ কর্মীদেরকে কথার প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে অন্য দিকে নিয়ে যায় । রণস্থল গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন ছেলে-মেয়ে দুইজন- দুজনকে পছন্দ করত । দুজনকে বিবাহ না দিলে আত্মহত্যার করবেন বলে হুমকি প্রধান করলে উভয় পক্ষের অভিভাবক এক হয়ে বাল্যবিবাহ করিয়ে দেয় । রণস্থল গ্রামের মাদবর নুরুল খাঁন সহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন জানায়- ইয়াকুব আলী ঐদিন বিবাহ পড়ানোর সময় আমরা সবাই বিবাহ না পড়ানোর জন্য নিষেধ করার পরেও তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময় বিবাহ পরিয়েছে । ইতিপূর্বে গত দুইমাস আগেও খোনকারটেক রনস্থল গ্রামের বৈশাখী ১১,পিতা-ফরহাদ এবং মোঃ সুমন ১৪,পিতা-সাহু নামে দুইজন নাবালক-নাবালিকার বাল্য বিবাহ দিয়েছে এই ইয়াকুব আলী । ইয়াকুব আলী যে কোন সময়, এই এলাকায় ঘটাতে পারে অনাকাঙ্খিত কোন অঘটন । এলাকাবাসী ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে আইনানুগ বাবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ।

আলোকিত প্রতিদিন / ২৬ মে, ২০২১/ দ ম দ

- Advertisement -
- Advertisement -