3:56 am |আজ মঙ্গলবার, ১৯শে শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৩রা আগস্ট ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জিলহজ ১৪৪২ হিজরি

সংবাদ শিরোনাম:
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে গুরুত্বর আহত

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে গুরুত্বর আহত

  • প্রতিনিধি, বান্দরবান:
    পিকনিক করতে গিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি/মারামারির ঘটনায় রুমায় এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬মে) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বান্দরবানের রুমা ২নং ইউপি সদরের ৩ং ওয়ার্ডের   পাইলট মুসলিম পাড়ার মোতালেব বাড়ির সামনে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। গুরুত্বর
    আহত শ্রমিকের নাম সবুজ মিয়া(২২)।
    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায়,
    ঈদ উপলক্ষে  পাইলট মুসলিম পাড়ার যুব শ্রমিকের নিজ উদ্যোগে সাংগু নদীর সংলগ্নের বালুচড়ে পিকনিকের আয়োজন করে। পিকনিক চলা কালীন বালুচড় থেকে বাড়িতে সাউন্ড বক্স নিতে যায়। ঘরে পৌঁছে পাশের বাড়িতে থাকা মোহাম্মদ শফিউল আলম (২৩) সাথে হঠাৎ তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়লে, এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায় । গুরুত্বর আহত ব্যক্তি সবুজ মিয়া অভিযোগ করে বলেন আমরা দুইজন মারামারি- ধাক্কাধাক্কি করার সময় হঠাৎ করে  পূ্র্ব শত্রুতা জের ধরে তৃতীয়পক্ষ মোহাম্মদ আক্তার (৪৮) পিছন থেকে এসে আমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে যায়। পরে  স্থানীয়রা রাতে তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে যায় বলে জানিয়েছে সবুজ মিয়া। কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ মেজবাহ বলেন জরুরি বিভাগে মাথার আঘাত প্রাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে এক্সরে করলে বুঝা যাবে  ভাল মন্দ । তাই রেফার দিয়ে রাখছি কাগজপত্র সহ রোগি সবুজ মিয়াকে। তবে রাজমিস্ত্রি আক্তার হোসেন বলেন গভীর রাতে তারা চিল্লাচিল্লিতে তার ঘুম ভেঙে যায়। তারপর ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্যদের মতো সমিউল ও সবুজ উভয়কে মারামারি থামাতে চেষ্টা করি। এতোক্ষণে পাড়ার লোকজন জড়ো হয়ে তাদের থামাতে চেষ্টা করছিল। সবুজ মিয়া কিছু মদ (করোনা প্রতিরোধে ওষুধ হিসেবে) খেয়েছিল, তাই নালায় পড়ে গিয়ে তার মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে।
    রাজমিস্ত্রীর কাজে দীর্ঘদিন দন্ড থাকায়  তাকে(আক্তার হোসেন)  সবাই মিলে দোষ চাপানো হয়েছে বলে জানান ।  এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী  শ্রমিক জামাল হোসেন ও ওমর ফারুক জানায় পাইলট পাড়ার রাজমিস্ত্রি মতিউর রহমান চিল্লাতে চিল্লাতে  মার, মেরে ফেলো বলে চিল্লাতে আক্তার হোসেনকে উস্কে দিয়েছিল। এতে আক্তার হোসেন রাগের মাথায় উত্তেজিত হয়ে লাঠি নিয়ে সবুজ মিয়ার মাথায় আঘাত করে বলে ওমর ফারুখ জানিয়েছে। তবে অন্যদিকে রাজমিস্ত্রি মতিউর রহমান বলেন আমি মারামারির পর ঘর থেকে বের হয়েছি। তখন একজনের মাথায় রক্ত পড়তে দেখে তাদের বলেছি, তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাও। এমনিতে আমি কিছু  দিন ধরে অসুস্থ ছিলাম। যারা আমার প্রতি ক্ষোভ আমার ভালো দেখতে পারেনা/ শত্রুভাবাপন্ন তারাই একথা বলেছে বলে জানালেন মতিউর।
    আলোকিত প্রতিদিন/ ১৬ মে, ২০২১/ দ ম দ  

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান