প্রতিনিধি, বান্দরবান:
বান্দরবানে রুমা উপজেলাধীন গ্রামীণ রাস্তা সমূহ টেকসই করনের লক্ষ্যে হেরি বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ (২য় পর্যায়ে)” প্রকল্পের কাজ শেষ না করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান উধাও হওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে । প্রকল্পটি রুমা উপজেলায়, ২নং রুমা সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বগালেক যাওয়া রাস্তা হতে ক্যাম্বওয়া মার্মা পাড়ার যাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মক্কা বিন্ডার্স সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম বলে জানা গেছে। রাস্তাটি এইচবিবি করণ ১০০০(একহাজার) মিটার কাজ ছিল । প্রকল্পটি বরাদ্দ পরিমাণ ৬৩লক্ষ (তেচ্ছতি লক্ষ) টাকা এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়ন করেছে। তক্তাবধানে রুমা উপজেলা পিআইও অফিস বলে জানা গেছে । ঠিকাদার মামুন নামে মোবাইল: ০১৮৪৮২৯৫৮৬২ যোগাযোগ করা হলে কিছু অংশ কাজ বাকি আছে বলে জানিয়েছেন , কিছু দিনের মধ্যেই কাজ শুরু করবে বলে জানান। উক্ত রাস্তাটি আনুমানিক ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে শুভ উদ্বোধন করেন, জনাব বীর বাহাদুর উশৈসিং, এম.পি মাননীয় মন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রাস্তার নির্মাণের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা মেলে মংচথোওয়াই মার্মা (৩০) হৃদয় অভিযোগ করে বলেন, ঐ রাস্তার নির্মাণের সময় টেকসই হওয়ার লক্ষ্যে কিছু উপকরণ দিয়েছিলাম, কিন্তু এখনো আমার কায়েম পারিশ্রমিক পাওনা টাকা দেইনি ! ফোনে বারংবার যোগাযোগ করেও প্রভাবশালী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমার পাওনা টাকা বিষয়ে কোন তোয়াক্কা করছেনা! রাস্তা শেষ না করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান উধাও হওয়ার বিষয়ে রুমা উপজেলা অফিসে পিআইও আলী নূর সাথে দেখা করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চুরান্ত বিল উঠে নিয়ে গেছে বলে জানান ! এক দিকে অফিস সহকারী জিপংকর চাকমা বলেন, এখনো ৪০০ফুট মতো রাস্তার কাজ বাকি আছে বলে জানিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পক্ষে সাফাই দিয়ে গা ঢাকা দিয়ে যাচ্ছে ! এখানে পরিস্কার ভাবে প্রতীয়মান হয় যে,পিআইও অফিসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষর অনুমোদিত ছাড়া বিল উক্তোলন সম্ভব নয় ! তাহলে বুঝতে বাকি নেই, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও পিআইও অফিস যোগসাজশে কাজ শেষ না হতেই চুরান্ত বিল উত্তোলন করে ফেলেছে ! একই সাথে এইচবিবি প্রকল্পের কাজ বেথেল বম পাড়া হতে পলিটন পাড়ার ৫২লক্ষ টাকা, চাইনাগ্র মার্মা পাড়ার হতে সেগুন মার্মা পাড়ার যাওয়া রাস্তার ৬৪লক্ষ টাকা বরাদ্দের চলমান কাজ রয়েছে। এই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলো কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান। এমতাবস্থায় অতি সহজেই বর্ষা মৌসুমে রাস্তার গুলো নষ্ট হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে । অন্য দিকে কাজ শেষ না করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অফিস যোগসাজশে চুড়ান্ত বিল উত্তোলনের দিকে ধাবিত অপেক্ষা রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন / ০৫ মে, ২০২১ / দ ম দ

