প্রতিনিধি, চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) :
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (০৫ মে) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সদরস্থ শাহ্ আমিন পার্কে অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্ভোধন করেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলামের সভাপতিত্বে আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা আ.লীগ সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, পৌর মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহফুজা জেরিন, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দীন সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলী হিরু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, চন্দনাইশ প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এরশাদ, চন্দনাইশ পৌরসভা আ.লীগ আহবায়ক কায়সার উদ্দীন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক তৌহিদুল আলম, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সহসভাপতি মিজানুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল কাফি চৌধুরী প্রমূখ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার দুইটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের ১১হাজার ৩শ ৮৩ পরিবারের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারে ৪শ ৫০ টাকা হারে এবং জিআর কর্মসূচির আওতায় ৪হাজার ৬শ পরিবারের মধ্যে প্রত্যকটি পরিবারে ৫শ টাকা হারে অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। একই দিন সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক আসনের হতদরিদ্র দুই হাজার পরিবারে মাহে রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণকালে নজরুল ইসলাম চৌধুরী এম.পি বলেন, “গত একবছর থেকে আমরা করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছি। এ লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মানুষকে নিরাপদ রাখার স্বার্থে লকডাউনে অসহায়-দরিদ্র মানুষের জন্য খাদ্য ও নগদ অর্থ উপহার দিচ্ছেন। আমরা তা সবার কাছে এবং একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেবার চেষ্টা করছি। দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত থাকবে।” তিনি আরো বলেন, “করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণকৃত ত্রাণকে কেউ অনুগ্রহ মনে করবেন না। এটা আপনাদের অধিকার। এটা ত্রাণ নয়, আপনাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার। মহামারি করোনা থেকে রক্ষা পেতে হলে মাস্ক পরার পাশাপাশি শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে, জরুরী প্রয়োজনে ঘরের বাইরে গেলে একজন আরেক জনের কাছ থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।” পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অসহায়-দরিদ্র মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন / ০৫ মে, ২০২১ / দ ম দ

