আজ শনিবার, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৯ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শ্রীপুরে টিউলিপ ফুটিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত দেলোয়ার দম্পতির- শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

আরো খবর

প্রতিনিধি, শ্রীপুর (গাজীপুর): গাজীপুরের শ্রীপুরে ফুলের বাগানে বিদেশী ফুল “টিউলিপ” ফুটিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দেলোয়ার দম্পতি। উদ্যোক্তাদের মধ্যে তারা অন্যতম মডেল। তারা তাদের চেষ্টায় সফল হয়েছেন। ইতোমধ্যে তারা ফল, ফুল ও সব্জি চাষে অনেককে প্রশিক্ষিত করে তুলেছেন। তারা তিন শতাধিক উদ্যোক্তা তৈরীরও কারিগর। তাদের ফলানো “টিউলিপ” ফুল বিদেশে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে। যেভাবে তারা উদ্যোক্তা তৈরী করছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ওনারা এটাকে বিস্তৃত করতে পারবেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া দক্ষিণখন্ড এলাকার দেলোয়ার দম্পতির ফুলের বাগান মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স পরিদর্শনশেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

দেলোয়ার দম্পতির উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষার্থীরা চাকুরী না খোঁজে উদ্যোক্তা হয়ে উঠবেন। তাদের উদ্যোক্তা হতে সরকারিভাবে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও চান আমাদের ছেলে মেয়েরা উদ্যোক্তা হবে, নতুন নতুন কাজ তৈরী করবে। নিজেরা অন্য আরও দশজনকে চাকুরী দিবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রিনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসলিমা মোস্তারী, শ্রীপুর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম মোল্লা, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন প্রমুখ। এসময় তিনি দেলোয়ার দম্পতির টিউলিপ, বিদেশী গোলাপ ফুল, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরী বাগানসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকার সবসময়ই উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। কেউ নতুন কিছু করতে চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের সহায়তা দেন, উৎসাহ দেন। দেশে এভাবে ফুল চাষ হলে আমরাও সবজির পাশাপাশি ফুলও রপ্তানি করতে পারবো ইনশাল্লাহ্।

প্রসঙ্গত, প্রায় ৭একর জমিতে কালার ক্যাপসিকাম, গ্রীণ ক্যাপসিকাম, টিউলিপ ফুল, ওরিয়েন্টাল লিলি, ডাচ গোলাপ, দেশী গোলাপ, স্ট্রবেরী, জি-৯ কলাসহ বিভিন্ন ফুল ফলের চাষ ও চারা তৈরী করেন দেলোয়ার হোসেন দম্পতি। ওই দম্পতি জানান, ২০০২সাল থেকে নিজের কিছু জমিতে এসব চাষাবাদ শুরু করেন। পরে তা নিজের পাঁচ বিঘা ও চুক্তিতে নেয়া ১৫বিঘা জমিতে তা সম্প্রসারণ করেন। সারাদেশে তিনি এসব চাষে তিন’শ জন উদ্যোক্তা তৈরী করেছেন। এসব চাষাবাদে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রকল্পে ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত ব্যাংক ঋণ দেয় না। যে ঋন পাওয়া যায় তাও চড়া সুদে। সরকার তাকে সহযোগিতা করলে ফুল, সবজি চাষ করে ভারত ও চীনের মতো হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২ ফেব্রয়ারি’২০/এসএএইচ

- Advertisement -
- Advertisement -