10:03 pm |আজ শনিবার, ১৫ই কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৩১শে অক্টোবর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদ শিরোনাম:
উপাচার্য যায় উপাচার্য আসে ভাগ্য বদলায় না বশেমুরবিপ্রবি’র কেন্দ্রীয় মন্দিরের

উপাচার্য যায় উপাচার্য আসে ভাগ্য বদলায় না বশেমুরবিপ্রবি’র কেন্দ্রীয় মন্দিরের

যুথি সাহা,  বশেমুরবিপ্রবি : ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর। কর্তৃপক্ষের ছিলো বারংবার আশ্বাস। উপাচার্য যায়, উপাচার্য আসে। কিন্তু প্রত্যাশাতেই সীমাবদ্ধ থাকে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ কার্যক্রম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার পশ্চিম দিকে প্রথম উপাচার্য প্রফেসর ড. খায়রুল আলম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ফাঁকা মাঠের উত্তরে স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরটির এখন প্রায় জীর্ণ দশা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এতোদিন পরেও মন্দিরের উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের নজর না থাকার বিষয়টি দুঃখজনক।  সাবেক  উপাচার্য ড. খোন্দকার নাসিরুদ্দিন বলতেন যে, কয়েক কোটি টাকার ব্যয়ে মন্দির নির্মিত হবে। কিন্তু কখনো স্বচক্ষে মাস্টার প্ল্যানে কতো বাজেট আছে কাগজে কলমে তা দেখিনি।
২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি অস্থায়ী মন্দিরে আয়োজিত সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় তৎকালীন প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরুদ্দিন বলেছিলেন, বর্তমানে যেখানে মন্দির আছে  এটা মাস্টারপ্লানের জায়গা না। পাশের ফাঁকা মাঠের দিকে নির্দেশ করে তিনি বলেছিলেন,  এখানে বড় করে নির্মিত হবে মন্দির, পরবর্তী উন্নয়ন বাজেট পাশ হয়ে আসলেই কাজ শুরু হবে। আর খেলার মাঠ হবে অন্য জায়গায়।
তবে পরবর্তীতে ২০১৮ সালের শেষের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি পুরাতন প্রকল্প সংশোধন করে বাজেট হয় সর্বমোট ২৫০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এতেও মন্দিরের জন্য কোনো বাজেট আছে কিনা জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের গতমাসে যোগদান করা নতুন উপাচার্য ড. এ. কিউ. এম. মাহাবুব। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটার বাজেট সম্পর্কে এখনো কিছু জানি না। তবে একটা মসজিদ ও একটা মন্দির মাস্টার প্ল্যানে আছে। আর মাস্টার প্ল্যানে থাকলেই বাজেট থাকার কথা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন সংঘের প্রচার  সম্পাদক শেখর সরকার জানান, ‘বর্তমানে যে মন্দির আছে, এটা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলে করা।  এর অবস্থা এক প্রকার জরাজীর্ণ এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আছে। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দির যেরকম হওয়া দরকার তার কিছুই এখানে নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের  উন্নয়ন সম্পর্কে সনাতন সংঘের সাধারণ সম্পাদক প্রীতিশ বিশ্বাস প্রত্যাশা করে বলেন,  ‘বর্তমান অস্থায়ী মন্দিরটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রনামী থেকে তৈরি করা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু প্রনামী দেওয়া হয়েছিলো। আমাদের বর্তমান উপাচার্যের  কাছে বিনীত আবেদন থাকবে আমাদের পূর্নাঙ্গ মন্দির নির্মান করে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল সনাতনীদের প্রার্থনার সুযোগ করে দিবেন।’
আলোকিত প্রতিদিন/৬ অক্টোবর-২০২০/জেডএন

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান