আজ শনিবার, ০৬ Jun ২০২০, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কিস্তি আদায়ে জোর করলেই ব্যবস্থা : গাইবান্ধা ডিসি করোনায় আক্রান্তের শীর্ষ ২০-এ বাংলাদেশ! যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে দিনে ত্রাণ, রাতে সহযোগিতা করা হবে : জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মধু মানিকগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ:নতুন আক্রান্ত ৮৮,মোট ২৮৭ সরকারি কাজে বাধা : ডিমলায় চার পুলিশ আহত, আটক-২ চট্টগ্রামে আইসিইউ উন্মুক্ত করার দাবীতে কফিন মিছিল মাদারীপুরের কালকিনিতে ১০১পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কুয়াকাটায় স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নিশ্চিতে হোটেল মালিক-কর্মচারীদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা মানিকগঞ্জে পরিবহন থেকে অবৈধভাবে টোল আদায়, গ্রেফতার ৪
বাড়বেই যদি খুললেন কেন?

বাড়বেই যদি খুললেন কেন?

প্রতীকী ফাইল ফটো

::তুষার আহসান::
দেশে কভিড-১৯ এ আক্রান্তদের শনাক্তের সংখ্যা আজ সর্বোচ্চ রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বেশ কিছু দিন পাঁচশর মধ্যেই ছিল। এরপর ছয়শ থেকে আজ হঠাৎই সাতশ ছাড়িয়ে আটশ ছুঁইছঁই। বিষয়টি অনেকটাই স্বাভাবিক ভাবে নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। ক্রমশ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকা প্রসঙ্গে তিনি আজ বিকেলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাস টেকনিক্যাল কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘সব কিছু খুলে দিলে রোগী বাড়বেই।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘যেহেতু স্বাভাবিকভাবে এখন কি না মার্কেট খোলা হয়েছে, গার্মেন্ট খোলা হয়েছে, দোকনপাটে আনাগোনা বাড়ছে। কাজেই সংক্রমণ যে একটু বৃদ্ধি পাবে, এটা আমরা ধরেই নিতে পারি।’
তার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সুধী সমাজে, ‘বিশ্লেষণটা তিনি যদি জেনেই থাকেন, তাহলে এই ভয়াবহতা কে সৃষ্টি করলো। আর যদি এভাবে ‘বাড়তেই’ থাকে, তাহলে তার দায়ভার কে নেবে?’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথাতেই যদিও কিছুটা উত্তরের আঁচ লেগে আছে। জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমাদেরকে যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জীবন ও জীবিকা দুটিই সাথে সাথে যাবে। কাজেই সেভাবেই কাজগুলো হবে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের দায়িত্ব হল যাতে রোগীগুলো সঠিক চিকিৎসা পায়, সঠিকভাবে রাখতে পারি।’
প্রথম বক্তব্য ও পরের বক্তব্যের মধ্যে বিস্তর ফারাকে প্রশ্ন জেগে ওঠে, ‘কোন চেষ্টায় তবে রোগী না বাড়ানোর প্রচেষ্টা সফল হবে যখন আগেই বলেছেন- সব খুললে রোগী বাড়বেই?’
যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রলালয় এক তুড়িতেই সব দায় এড়িয়ে যেতে পারেন। আর সেটা হলো- ‘ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা না খোলাটা আমাদের দায়িত্ব নয়; বলে। আর সেটা হবে আরও বোকামি। বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্যখাত নির্ভর সব বন্ধ করা হয়েছে। সুতরাং খুলতে হলেও স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে পরামর্শ করেই সব করা হবে বলে আমরা মনে করি। আর যদি সেটা না হয়ে থাকে, তাহলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরই দূর্বলতা রয়েছে বলে আমরা ধরে নিতেই পারি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

All rights reserved. © Alokitoprotidin
Developed By Sbtechbd