11:50 pm |আজ শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৭শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদ শিরোনাম:
ফুলবাড়ীতে মাস্ক না পরায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা কলাপাড়ায় স্বাস্থ্য-সহকারীদের বেতন-বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্ম বিরতি পালন নাটোরে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সরকারের কাজ করার ক্ষমতা আছে, তবে বাঁধ নির্মাণে সময়ের প্রয়োজন- প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক গাইবান্ধা জেলা বারের নির্বাচনী তফশীল তিনদিনের মধ্যে ঘোষণা না করলে কর্মবিরতির হুশিয়ারী নোয়াখালী বেগমগঞ্জের আলোচিত অস্ত্রধারী ইমন গ্রেফতার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে প্রতীক পেলেন প্রার্থীরা সাভারে মেয়ে ও তার স্বামীর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে বাবা-মায়ের সংবাদ সম্মেলন  আশুলিয়ায় নিখোঁজের ১০দিন পর যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার : আটক-১ ডিএএমএম মানিকগঞ্জ শাখার উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাড়ি-দোকান ভাড়া প্রসঙ্গে দরকার সরকারি নির্দেশনা

বাড়ি-দোকান ভাড়া প্রসঙ্গে দরকার সরকারি নির্দেশনা

:: তুষার আহসান ::
কোভিড- ১৯ মহামারীর এই সঙ্কটকালে সব ধরনের ঋণের সুদ আদায় আগামী দুই মাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ এই দুই মাস কোনো ব্যাংক কোনো ঋণের সুদ আদায় করতে পারবে না। যে সুদ হবে তা হিসাব করে আলাদা রাখতে হবে। কীভাবে-কবে পরিশোধ করতে হবে, তা পরে জানানো হবে। আজ রোববার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের এই নির্দেশনা পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অথচ এখনো বাড়িভাড়া, দোকানভাড়া প্রসঙ্গে নেই কোন উদ্যোগ, নেই নির্দেশনা; আছে শুধুই অনুরোধ।
করোনাভাইরাস মহামারীতে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়ায় ভয়াবহ মন্দার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বন্ধ হওয়ায় ব্যবসায়ীরাও রয়েছে সঙ্কটে। আর মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্তরা রয়েছেন আরও সংকটে। চাকুরিচ্যুতি না ঘটলেও বেসরকারি চাকুরেদের অধিকাংশই পাচ্ছেন না বেতন। অফিস-আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তাদের উপার্জন আপাতত বন্ধ। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুরো বাড়িভাড়া দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কারণ, করপোরেট ও সরকারি চাকরি ব্যতীত সবাই একপ্রকার বেকার জীবন কাটাচ্ছেন। অবশ্য প্রণোদনা যে যে খাতে দেওয়া হয়েছে, সেসব চাকুরেদের হিসাবটা একটু আলাদা। যদিও ওসব খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারী-শ্রমিকরাও এখনো তাদের বেতন পাননি বা পাচ্ছেন না বলে আমরা জেনেছি। এদিকে নানা ছুঁতোই মার্চের বেতনের খণ্ডাংশ যে সব প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের দেওয়া হয়েছে বা যারা পেয়েছেন, তা দিয়ে সংসারে খাবারের টাকাই হয়নি অনেকের। এমন পরিস্থিতিতে বাসা ভাড়ায় রয়েছে বাড়ির মালিকদের চাপ। অথচ বাড়িওয়ালা ও বিজনেস মল ও দোকানঘর মালিকদের অধিকাংশের কথা ছিল- কড়া সুদে লোন নিয়ে বাড়ি করেছি, শোধ দেবো কীভাবে? এখন তো তাদের একটা হিল্লে হলো। তবে এখনও কেন কোন নির্দেশনা নেই?
অবশ্য অনেক বাড়িওয়ালা বাসা ও দোকানভাড়ার ওপরেই চলেন। এটাও ঠিক। তবে যেভাবেই চলুন না কেন, এমন একটি সংকটমুহূর্তে ভাড়ায় যদি ক্যাটাগরি ঠিক করে দিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হত, তবে বিপাকে পড়তে হত না ভাড়াটিয়াদের। যেমন: যাদের ব্যাংক লোন আছে, তাদের যেহেতু সুদ বন্ধ রাখা হয়েছে, তাদের ভাড়া এক তৃয়াংশ ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নিতে বলা যেতে পারে। যাদের লোন নেই, তারা অর্ধেক ভাড়া নিতে পারবে ইত্যাদি। এটা মোটা দাগে বললাম। তার মানে ভেবে চিন্তে অনেক কিছুই করা সম্ভব।
শিক্ষার্থীরা অনেকেই তাদের বাড়িতে চলে গেছে। তাদেরকে ফোনে হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে- বাসা ভাড়া পরিশোধের জন্য। অনেক বাড়িওয়ালারা ইতোমধ্যে ভাড়া মওকুফ করেছেন। এটা প্রশংসনীয়। অন্যরাও মানবিক হবেন- এটাই কাম্য। তবে প্রয়োজন সরকারি নির্দেশনা। অনুরোধে কোন কাজ হতে আমরা কখনোই দেখিনি। তাই কোন অনুরোধ নয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান