7:43 am |আজ সোমবার, ৯ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ২৩শে মে ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরি




শেয়ারবাজার ১০ মে চালু করতে চায় ডিএসই

শেয়ারবাজার ১০ মে চালু করতে চায় ডিএসই




::নিজস্ব প্রতিবেদক ::
শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির আপত্তি না থাকলে আগামী ১০ মে থেকে শেয়ারবাজারের লেনদেন চালু করতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালনা পর্ষদ ভার্চুয়াল সভা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ সময়ের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব বাড়লে এ সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়েও যেতে পারেন তারা।
ডিএসই লেনদেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন রশীদ সমকালকে বলেন, শেয়ারবাজারের লেনদেন চালু করতে হলে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ সব শাখা দিনে অন্তত চার ঘণ্টা খোলা থাকতে হবে। ব্যাংকিং চেক ও অনলাইন লেনদেন ক্লিয়ারিংয়ের জন্য ক্লিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট পুরোপুরি কার্যকর থাকা অত্যাবশ্যক। তাছাড়া সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি প্রতিষ্ঠান সিডিবিএল ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাভিল্যান্স বিভাগও চালু থাকতে হবে। এসব শর্ত পূরণ হলে এবং ডিএসই লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নিলে সিএসইও একই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। জরুরি সেবার বাইরে অন্য সব খাত এ সাধারণ ছুটির আওতায় রয়েছে। এরই মধ্যে তিন দফা সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, যা চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত। তবে এরপর ছুটির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে কি-না, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশ শেয়ারবাজার সাময়িক বন্ধ করে। এ মহামারির কারণে বিশ্বের সব বড় শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়। দরপতন মাত্রা ছাড়িয়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করলে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজার লেনদেনের মাঝে সাময়িক বিরতি দেয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর কোনোটিতেই শেয়ারবাজার এখন বন্ধ নেই। ।
ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই। এ কারণে সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে লেনদেন বন্ধ থাকায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ থেকে আয়ের ওপর যেসব ব্যক্তি পুরোপুরি নির্ভরশীল, তারা বিপাকে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে যারা বিনিয়োগ থেকে কিছু তুলে নিতে চান, তারা সে সুযোগ পাচ্ছেন না। এছাড়া ব্রোকারেজ হাউসসহ শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বন্ধ। এ অবস্থায় সকলের স্বার্থে পুনরায় লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সম্মতি লাগবে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানান, লেনদেন চালুর ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। কেননা এখানকার বাজার এখনো পুরোপুরি অটোমেটেড নয়। তাছাড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত জরুরি সেবার মধ্যে শেয়ারবাজারের লেনদেন পড়ে না। ফলে কমিশন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দেবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন











All rights reserved. © Alokitoprotidin
এস কে. কেমিক্যালস এগ্রো লি: এর একটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান