আজ বৃহস্পতিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ।   ১৮ জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কলাপাড়ায় কৃষকের প্রণোদনা ঋণ বিতরণে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, সরকারের উদ্দ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে

-Advertisement-

আরো খবর

- Advertisement -
- Advertisement -

সংবাদদাতা,কলাপাড়া(পটুয়াখালী):  কলাপাড়ায় দূর্নীতি ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে  কৃষি খাতের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারের শতকরা ৪ টাকা সুদের ঋণ বিতরণে। উপজেলা কৃষি বিভাগের সাথে তফসিলী ব্যাংক গুলোর সমন্বয়হীনতা, কৃষি ঋণ বিতরণে বেসরকারী ব্যাংকগুলোর অনাগ্রহ, প্রকৃত কৃষকের ঋণ পেতে হয়রানী, ব্যাংকে দালাল প্রবনতা, কৃষি বিভাগের যথাযথ তদারকির অভাব, জনগুরুত্বপূর্ন স্থানে কৃষি প্রনোদনার ঋণ বিতরণের ব্যানার না টানানো, কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র ছাড়াই ঋণ বিতরণ কৃষি প্রণোদনার এ ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, তফসিলী বেসরকারী ব্যাংকগুলো উপকূলীয় এলাকার কৃষি উৎপাদনকে সচল রাখতে কোন কৃষককে এ পর্যন্ত শতকরা ৪টা সুদের বিশেষ প্রণোদনার এ ঋণ বিতরণ করেনি। এনিয়ে তাদের কোন জবাবদিহিতাও নেই। এমনকি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলো দালাল নির্ভর হয়ে কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন ছাড়াই লক্ষ লক্ষ টাকা বিতরণ করছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা সরকারের এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমনকি গত কয়েক বছরে কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় গঠিত উপজেলা কৃষি কমিটির সভা কাগজে কলমে অনুষ্ঠিত হলেও বাস্তবে কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। এছাড়া কৃষিকে সচল রাখতে পানি ওঠা নামার অন্তত: ৩০০ সুইস কৃষকের স্বার্থ ভুলুন্ঠিত করে প্রভাবশালীদের মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় কৃষি ব্যবস্থা হুমকীর মুখে পড়েছে। রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কৃষি খাতের জন্য ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনার আওতায় শষ্যঋণ ব্যতীত কৃষির অন্যান্য খাতে বিতরণের জন্য বরিশাল বিভাগে ১১৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এতে শষ্য ও ফসল খাতে শতকরা ৪ টাকা রেয়াতি সুদ হারে কৃষকের মাঝে ঋণ বিতরণের জন্য বলা হয়েছে। যার মেয়াদ ১ এপ্রিল ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২১। কৃষককে ধান, গম, দানা শষ্য, অর্থকরী  ফসল, শাক সবজি ও কন্দাল ফসল চাষের ক্ষেত্রে এ প্রণোদনা দেয়া হবে। এতে ব্যাংকগুলো শতকরা ৫টাকা হারে সুদ-ক্ষতি পুনর্ভরন সুবিধা পাবে। এছাড়া মৎস্য ও প্রানী সম্পদ খাতেও চাষীর জন্য ৪ টাকা রেয়াতি সুদ হারে ঋণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অপরদিকে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সম্পৃক্ততায় ’কৃষি খাতে বিশেষ প্রণোদনামূলক পুন:অর্থায়ন স্কীম’ বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষথেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে-উপজেলা কৃষি অফিস বিশেষ প্রণোদনার এ স্কীম বাস্তবায়নে তফসিলী ব্যাংকসমূহকে বহুল প্রচারের জন্য সহযোগীতা করবে এবং জনগুরুত্বপূর্ন স্থানে ঋণ বিতরণের ব্যানার টানানো হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবে। ঋণ গ্রহণে আগ্রহী কৃষক প্রকৃত কৃষক কিনা তা সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সনাক্ত করবেন। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সুপারিশের প্রেক্ষিতে কৃষি কর্মকর্তা প্রত্যয়ন প্রদান করবেন। এরপর ঋণ গ্রহণকারী কৃষকদের তালিকা ব্যাংকসমূহ কৃষি অফিসে পাঠাবেন যাতে ঋণ গ্রহণকারী কৃষকরা অফিস থেকে কৃষি সেবা পায়। কৃষি অফিস কৃষকদের চাষাবাদের ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করবেন। কৃষি অফিসের প্রতিনিধি ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডের ব্যবহার অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক ঋণ পাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করবেন। কৃষক যাতে ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব খুলতে পারে এবং সে হিসাবের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করতে পারে সে বিষয়ে কৃষক ও তফসিলী ব্যাংকের মধ্যে কৃষি বিভাগ সমন্বয় সাধন করবেন। কৃষক যাতে ঋণ পেতে হয়রানীর স্বীকার না হয় এবং সহজে ঋণ পায় কৃষি অফিস তা নিশ্চিত করবেন। ঋণ গ্রহণেরপর কৃষক শর্ত মোতাবেক ফসল বা প্রস্তাবিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন কিনা তা কৃষিবিভাগ তদারকি করবেন এবং তাদের যথাযথ পরামর্শ প্রদান করবেন। প্রতি মাসে তফসিলী ব্যাংকগুলো কি পরিমান প্রণোদনার ঋণ বিতরণ করছে সে মর্মে কৃষি বিভাগকে অবহিত করবেন। সে মোতাবেক কৃষিঅফিস ঋণ গ্রহণ ও বিতরণের অগ্রগতি প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে প্রেরণ করবেন। এদিকে কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনে দেশের এক ইঞ্চি চাষাবাদের জমিও যাতে অনাবাদী না থাকে সেজন্য সরকারের এ নির্দেশনার ছিটে ফোটারও দেখা মেলেনি বাস্তবে। শতকরা ৪টাকা হারের সরকারের এ ঋণ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কোন প্রচারনা নেই। মাঠ পর্যায়ের করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্পান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে অধিকাংশ কৃষক সরকারের বিশাল পরিসরের এ প্রণোদনার ঋণ সম্পর্কে এখনও অবগত নন। এমনকি সাধারন কৃষি ঋণ পেতে উৎকোচ বিনিময়ে দালাল নির্ভর হয়ে ব্যাংকে না গেলে নানান রকম হয়রানীর স্বীকার হচ্ছেন তারা এবং ঋণ পেতে জমির মূল দলিল, ওয়ারিশ সার্টিফিকেট, এসএ পর্চা, বিএস পর্চা, হাল দাখিলা, ট্যাক্স রশিদসহ রাষ্ট্রায়াত্ত অন্য ব্যাংকে লোন নাই মর্মে প্রত্যয়ন চাওয়া হচ্ছে কৃষকদের কাছে। এতসব কাগজ সংগ্রহ করতে না পেরে অনেক কৃষক ঋণ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে। কৃষি বিভাগের যথাযথ তদারকি না থাকার সুযোগে কৃষক না হয়েও অনেকে কৃষক সেজে ঋণ সুবিধা নিচ্ছে। মোটা দাগে তফসিলী ব্যাংকগুলোর সাথে কৃষি বিভাগের কোন রকম সমন্বয় নেই। এছাড়া ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা না মেনেই ঋণ বিতরণ চলছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাড়ানো কিংবা ১ ইঞ্চি জমিও অনাবাদী না থাকার সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষিখাতের জন্য ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনার আওতায় কলাপাড়ার রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকসহ বেসরকারী তফসিলী ব্যাংকসমূহ শতকরা ৪টাকা হারে ঋণ বিতরণের জন্য বরাদ্দ পেয়েছে। তন্মধ্যে কৃষি ব্যাংক কলাপাড়া শাখা ৮০ লক্ষ, মহিপুর শাখা ৪৫ লক্ষ, কুয়াকাটা শাখা ৪০ লক্ষ, সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখা ৩০ লক্ষ, অগ্রনী ব্যাংক খেপুপাড়া শাখা ৫ লক্ষ টাকা, রুপালী ব্যাংক ১২ লক্ষ টাকা। এ বরাদ্দের বিপরীতে কৃষি ব্যাংক কলাপাড়া শাখা ইতোমধ্যে ১৪জনকে ৯ লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা, মহিপুর শাখা ৪ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা ৮ জনকে, কুয়াকাটা শাখা ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ১০ জনকে, সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখা প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা বিতরন করেছে ৬৬ জন কৃষকের মাঝে। অগ্রনী ব্যাংক ও রুপালী ব্যাংক শতকরা ৪টাকা সুদের কোন ঋণ বিতরণ করেনি। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থ বছর পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার কৃষকের মাঝে কৃষি ব্যাংক কলাপাড়া শাখার ২৬ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরণ রয়েছে। এরমধ্যে দীর্ঘদিনের ৪ কোটি টাকা খেলাপী ঋণ রয়েছে। যা আদায়ে ২৮৬টি মামলা করা হয়েছে। তন্মধ্যে ২০টি ঋণের ৭ লক্ষ টাকা আদায় করা গেছে। মহিপুর শাখার এ পর্যন্ত আড়াই হাজার কৃষকের মাঝে ১২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ রয়েছে। এবছর নতুন করে ৯৮ জন কৃষককে ৬৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খেলাপী ঋণ আছে। ১৩টি মামলা করা হয়েছে। ১টি খেলাপী ঋণ ৬০ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। কুয়াকাটা শাখা এ বছর ২৬৪ জন কৃষকের মাঝে ২ কোটি ৫৬ লক্ষ ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ দিয়েছে। এ পর্যন্ত ৯ কোটি ৮৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ১৫৫৭ জন কৃষকের মাঝে ঋণ দেয়া আছে। এরমধ্যে খেলাপী ঋণ রয়েছে ১৯ লক্ষ ৬৪ হাজার। ৮ টি মামলা করা হয়েছে। সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখা ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কৃষি ঋণ বরাদ্দ পায় ১ কোটি ৭১ লক্ষ। বিতরণ করে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ১১০ জনের মধ্যে। ৫৮৫০ জন ঋণ গ্রহীতার খেলাপী ঋণ রয়েছে ৭ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা । অগ্রনী ব্যাংক খেপুপাড়া শাখার ২৯০৩ জন কৃষকের এ যাবৎ ঋণ রয়েছে ১২কোটি ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫৪৪ টাকা। এরমধ্যে ৫৭৮ জনের খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৪৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৫১ টাকা। মামলা করা হয়েছে ১৭৬টি। ব্যাংকটি শতকরা ৪টাকা সুদের কোন ঋণ বিতরণ করেনি। এসব ব্যাংক গুলোর অগনিত কর্মকর্তা স্থানীয় এবং দীর্ঘদিন একইস্থানে বারবার চাকুরী করার সুযোগ পেয়ে নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে ঋণ বিতরণ করায় কৃষি ঋণ বিতরণ ও আদায়ে এ হ-য-ব-র-ল সৃষ্টি হয়েছে একং ব্যাংকগুলোতে দালাল প্রবনতা বেড়েছে।  তবে বেসরকারী ব্যাংক প্রিমিয়ার, মার্কেন্টাইল, ন্যাশনাল, পূবালী, শাহজালাল, ইসলামী, ব্র্যাক ব্যাংকসহ অপরাপর বেসরকারী ব্যাংকগুলো রাষ্ট্রের নির্দেশনার পরও কৃষি খাতের উন্নয়নে কৃষককে অদ্যবধি কোন ঋণ বিতরণ করেনি। সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনার পরও এনিয়ে তাদের কোন আগ্রহ নেই। এ বিষয়ে ব্যাংক গুলোর কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের কোন সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কৃষিবিভাগের প্রত্যয়ন ছাড়া শতকরা ৪টাকা হারের কৃষি ঋণ বিতরণ নিয়ে জানতে চাইলে কৃষি ব্যাংক, কলাপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগের প্রত্যয়ন দেয়ার বিষয়টি তাদের জানা নেই। তাঁরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করছেন। প্রায় একই বক্তব্য মহিপুর শাখার ব্যবস্থাপক বিএম রেফায়েত উল করিম ও কুয়াকাটা শাখার ব্যবস্থাপক রবীন চন্দ্র শীল’র। সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখার ব্যবস্থাপক নাজমুল আহসান এর বক্তব্য, উর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়া এবিষয়ে কথা বলার কোন অধিকার নেই তাঁর। অগ্রনীব্যাংক খেপুপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো: আলআমিন বলেন, ব্যাংকের কোন তথ্য জানতে হলে আগে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আসতে হবে, নতুবা কোন তথ্য দেয়া যাবেনা। অগ্রনীব্যাংক ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেলেও শতকরা  ৪টাকা সুদের ঋনের টাকা এখনও কোন কৃষককে দেয়া হয়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, উপকূলীয় এলাকার কৃষি উৎপাদনকে সচল রাখতে ৪ টাকা সুদের প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। যা বিতরণে অবশ্যই কৃষিবিভাগের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতি মাসে উর্ধ্বতনদের পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষিকে সচল রাখতে পানি ব্যবস্থাপনার জন্য সুইসগুলো কৃষকের স্বার্থে ব্যবহৃত হতে হবে। এ উপজেলায় প্রায় ৩০০ সুইস কৃষকের স্বার্থ ভুলুন্ঠিত করে প্রভাবশালীদের মাছ ধরার স্বার্থে ব্যবহার হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, সরকারের এ প্রণোদনা কৃষিকে সচল এবং কৃষককে চাষাবাদে আরও উদ্যমী করে তোলার জন্য। দেশ যাতে খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে পারে। সরকারের নির্দেশনা বহির্ভূতভাবে ঋণ বিতরণ করার সুযোগ নেই। এ লক্ষে জেলা, উপজেলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সভা আহবান করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুন’২০/এসএএইচ

 

- Advertisement -

 

- Advertisement -
- Advertisement -