আজ সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
করোনা সুরক্ষায় চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতি নেই : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্য-চীনের ফ্লাইট আসছে এখনো করোনায় গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা : পুলিশ মহাপরিদর্শক করোনা রোধে প্রয়োজনে অন্য দেশকেও সহায়তা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় এমপি দুর্জয়ের ব্যক্তিগত তহবিল : পিপিই মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লাভস পেলেন সাংবাদিকরাও করোনা সন্দেহে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি গ্রামবাসী, মৃত্যু পরও যুবকের পাশে নেই কেউ দোকান বন্ধ ৪ এপ্রিল পর্যন্ত : ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি জয়পুরহাটে ভ্যানচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার আশাশুনিতে খোলপেটুয়ার বেড়িবাধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন জনসচেতনতায় ‘করোনা হেলমেটে’ রাস্তায় পুলিশ
সাহিত্যালো : কবিতা

সাহিত্যালো : কবিতা

দ্বী প স র কা র
পেন্সিল স্কেচ এবং একটি মুখমন্ডল

ম্যাগাজিনের পাতা
ওখানেই পড়ে থাকা বা না থাকা কথার আঁকাআঁকি
আমার কবিতা- পাশে পেন্সিল স্কেচ এবং একটি মুখমন্ডল আঁকা

ভ্রু কুঁচকানো চোখের খোপে দিশেহারা ঢেউ
ক্ষত বিক্ষত শরীরে ওর ঘাপটি মেরে আছে ঘোর ও কুয়াশা
বহুদিনের পরিচিত- অথচ অচেনা মুখ
গ্রীবার নীচে বেহুদাই পড়ে আছে কতিপয় স্মৃতির আঙুল

ম্যাগাজিনটা হাতে নিয়েছি বলে তোমাকে দেখতে চেয়েছি ভেবোনা
কবিতাটা পড়ার লোভে আটকে গেছি
কার কী এমন দায় আছে বলো ?

মো. আ রি ফু ল হা সা ন
দীর্ঘশ্বাসের কবিতা

প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসের সাথে একটি করে জন্ম মৃত্যু বেরোয়।
যদি জন্ম হয়, তবে আগামী পৌষে
আমাদের পার্বনবীথি লগ্নে তোমাদের মৌটুসী হবো
আর মৃত্যু হলে, যেনে রেখো- মানুষের যে পাপ
দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্যামিতিক হারে
তা কিন্তু একদিন মানুষের অভিশাপ ঢেকে আনবে।

প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসের সাথে একটি করে জ্যামিতি বেরোয়।
পরিমাপ ব্যাসার্ধ জেনে রেখে
অতপর সামলায় ভবিষ্যতের দায়ভার
এবং মানুষকে নিষ্কন্টক করতে
একদিন একটি রাত কথার বরখেলাপ করে থাকে।
মানুষের মুখোমুখি দাঁড়াতে আমাদের ভয়।
সময়কে চোখের কোনায় রেখে এঁকে দেই ঘুমের বিন্দু।

জ্বলন্ত সিঁড়ির পাশ দিয়ে
আমরা ছুটে যাবার সময়
আমাদের পা পিছলে পড়েছিলো মাটিতে
আর আমরা হামাগুড়ি দিচ্ছিলাম এমনই
যেমন কোনো জবাই করা জন্তু হামাগুড়ি খায় রক্তে
আর আমাদের বল্লমগুলো ছিটকে পড়েছিলো
যেনোবা বিষাক্ত তীর
অথবা বিষাদগুলো ঝরে পড়লো তোমার পরিত্যক্ততায়।

প্রত্যেকটি দীর্ঘশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দুতে লুকিয়ে থাকে কাব্য
প্রতিটি ঝর্নাধারার সাথে
প্রতিটি শ্রাবণের সাথে মিশে থাকে কালোমেঘ দ্রোহ।
হে আমার নীল জাতি,
তোমাদের বিশ্রুত লজ্জায় আমাদের আকিঞ্চণ স্বর্গমুখী।
তবুও জেনে রেখো প্রতিটি স্বর্গের দরোজায় আছে তালা
আর প্রতিটি তালার জন্য রয়েছে অবশ্যই কোনো চাবি।

স্ব প ন শ র্মা
ভালোবাসা

প্রেম কি বলো ছেলেখেলা নিছক মনের আশা!
প্রেম হলো এক পরিনতি গভীর ভালোবাসা।
মধুর টানে আপন মনে যেমন অলি ছোটে
কুঁড়ি যেমন সময় হলে ফুল হয়ে সে ফোঁটে।
তেমন করে ভালোবাসা আপন হতে আসে
প্রেমের টানে দুটি জীবন থাকে আশে পাশে।
প্রেমের কি আর লগ্ন তিথি থাকে দিবস মাস!
সারা জনম প্রেম বহমান হৃদয়ের নিঃশ্বাস।

ছেলে-মেয়ে ভাবছ যারা বয়স যাদের কুড়ি
প্রেমদিবসে জিতবে তোরা, হারবে বুড়ো বুড়ি!
ভাবনা মিছে সামন পিছে দেখো একটু চেয়ে
ভাবছ যেটা পাচ্ছ কি তা? উল্টোটা যাও পেয়ে।
প্রেম যদি হয় পরীক্ষিত ভাটায় পোড়া মাটি
যায় না কেনা গোলাপ দিয়ে কারণ সেটা খাঁটি।

প্রেমের এখন নড়বড়ে ভিত নেই সেখানে আশা
বুড়ো বুড়ির প্রেম বুনিয়াদ সঠিক অথবা খাসা।

রু দ্র সা হা দা ৎ
আতঙ্কে ঘুমায় চোখ

দেখা হয়নি আজো কিছু নভোমণ্ডল, ভূ-মণ্ডল জুড়ে
পুড়ছি দাবানলের আগুনে,আদম যৌবন

হাসতে গিয়েও বারংবার কাঁদি, জানা নেই কারণ

শহরে আসছে করোনা আরেক নতুন ভাইরাস
বুঝে না কিছু, জানে না কিছু অসহায় মানুষ

প্রকৃতির নিকট নীরব আত্মসমর্পণ বিশ্বজুড়ে,
সতর্কতা বন্দরে বন্দরে

কাঁদে পিতামাতা, কাঁদে সন্তান, স্বজন
আতঙ্কে সারি সারি মুখ
আতঙ্কে ঘুমায় চোখ….

 

আ রি ফ জা মা ন
অন্ধকারে দেখা

এইসব বেহিসাবি রাতে নদী স্রোতহীন হয়ে পড়ে
কিছু কবি কবিতা লেখার অভাবে অকালে মরে যায়
শৈত্যপ্রবাহের চরম বিষাদে কিছু কঙ্কাল শরীর
অন্ধকারে বেওয়ারিশ লাশের মত পড়ে থাকে।

দূরন্ত নেতারা মঞ্চ কাঁপিয়ে দেয় প্রতিশ্রæতির হলফনামা
বিবেকবানেরা করতালিতে মুখরিত করে পরিবেশ।
প্রখ্যাত বক্তার ওয়াজ শুনতে সমবেত হয় মুসুল্লিরা
সমস্বরে নারায়ে তাকবীরে প্রকম্পিত করে খোলা মাঠ।
মন্দিরে মন্দিরে গান ও নৃত্যের সঙ্গে চলে আরাধনা
উৎসবমুখর পরিবেশে পূণ্যর সাগরে ভেসে যেতে থাকে পুরোহিতগণ।

অথচ তাদের কেউ জানলোনা অন্ধকারে রেললাইনের ধারে
শিশুটি মরে যাচ্ছে কাফনের মত এক টুকরো বস্ত্রের অভাবে।

 

শ রী ফ সা থী
ক্রসবারে লেগে চোখ ফেরে

একই পথে আসা যাওয়া করি
লোকশূন্য ফাঁকা ফিল্ড পেয়েও গোল করতে পারি না।
তোমার দুচোখের ঝালরাঙা চাহনি
ঠিক যেনো ক্রসবার; লেগে চোখ ফিরে আসে,
মন ছুঁতে পারে না, বারবারই এমন হয়
সব জঞ্জাল ক্যারি করেও গোল দিতে পারি না।

স্বপ্নে দেখা আইটেমগুলো ধুলোয় মিশে যায়।
এই মন, এই চোখ গোল পোস্টে রাখতে গিয়েও
বাড়ানো দুটো হাতের অভাবে, ঠোঁটের মুচকি হাসির অভাবে
ফিরে আসি ক্রসবারে লেগে।

https://www.alokitoprotidin.com/wp-admin/post.php?post=140&action=edit


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 Alokito Protidin
Developed By Rudra Amin