মাঠেই শুধু নয় সামাজিক গণমাধ্যমেও সরব মন্ত্রী তাজুল ইসলাম – আলোকিত প্রতিদিন

মাঠেই শুধু নয় সামাজিক গণমাধ্যমেও সরব মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

আব্দুল মান্নান:  সকাল থেকে সন্ধা যখনই ফেসবুক চালু করি দেখতে পাই আমাদের প্রাণের নেতা লাকসাম-মনোহরঞ্জে অহংকার সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে। লাকসাম-মনোহরগঞ্জের প্রায় প্রতিটি মানুষের ফেসবুকে এই মানুষটিকে নিয়ে প্রশংসনীয় ও আশাবাদী নানা বক্তব্য লিখে শেয়ার করা হচ্ছে। মন্ত্রী হওয়ার পর তার জন্য দোয়া চেয়ে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন অনেকে। মন্ত্রী হিসেবে তাজুল ইসলামকে নির্বাচিত করায় ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়। এরপর গত ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। নতুন এই মন্ত্রিসভায় আগের বেশির ভাগ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর ঠাঁই হয়নি।

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে প্রথমবার মন্ত্রীত্ত্ব পাওয়ায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে খুশির অন্ত নেই। স্বাধীনতার পূর্বেও এই আসনে কোনো মন্ত্রী ছিল না। এই আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য মো. তাজুল ইসলাম মন্ত্রী হওয়ার খবরে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র চলছে আনন্দ উল্লাস। এলাকায় একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী পাওয়ায় এখানের দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতাসহ অভিনন্দন জানান।

বর্তমান সরকারের নবগঠিত মন্ত্রী পরিষদে তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হওয়ার খবরে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দে মেতে উঠেন। এ সময় একজন আরেকজনকে মিষ্টি খাইয়ে দেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়সহ লাকসাম পৌর শহরে চলেছে মিষ্টি বিতরণের হিড়িক।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশির্বাদপুষ্ট তাজুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে সর্বপ্রথম লাকসাম-মনোহরগঞ্জের মাটি ও মানুষের ভালবাসাকে পুঁজি করে মহান জাতীয় সংসদে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ের মালা পরিধান করে। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো তিনি নৌকা মার্কা নিয়ে জয়ী হয়ে মহান জাতীয় সংসদে যান এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনে ৩য় বারের মত মহান জাতীয় সংসদে যান। সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।  গত সংসদেও তিনি বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি ফেবিয়ান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক। রয়েছেন বেসরকারি যমুনা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেও। এছাড়া জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ-এর প্রকাশক। লাকসামের মেধাবী সন্তান তাজুল স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। তার চার সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করেন। মেয়েদের মধ্যে একজন ব্যারিস্টার, আর অন্যজন আমেরিকায় লেখাপড়া করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জানুয়ারি/আরএইচ

এই সংবাদ ৫০২ বার পঠিত।
ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন