খুলনা-মংলা মহাসড়কে অবৈধ ট্রাক পার্কিং | আলোকিত প্রতিদিন

খুলনা-মংলা মহাসড়কে অবৈধ ট্রাক পার্কিং

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩০ কিলোমিটার উপকূল রেখা। প্রতিবছর ২০ মিলিয়ন টন কার্গো পরিচালনার ক্ষমতা। বছরের ৩৬৫ দিনের ২৪ ঘন্টা রাত দিন কাজ করছে হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মংলায়। বাগেরহাট জেলার দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মংলা। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই মংলা বন্দর কে কেন্দ্র করে মংলা খুলনা মহাসড়কে যাতায়াত করে।

খুলনা-মংলা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে প্রায় ৫০ টি। মংলা বন্দরে প্রায় পণ্য ওঠানামা খালাস বোঝাইয়ের ট্রাক আসা-যাওয়া করে প্রায় ১২০ টি এবং মংলা বন্দরে অবস্থিত বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, গ্যাস কোম্পানি এবং অন্যান্য আরো অনেক কোম্পানির ট্রাক, শ্রমিক বাস মাইক্রোবাস এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে এই খুলনা-মংলা মহাসড়ক দিয়ে। অথচ নামিদামি কোম্পানি গুলো তাদের ট্রান্সপোর্ট এর ট্রাক, কভার ভ্যান, মিনি ট্রাক, পার্ক করছে খুলনা-মংলা মহাসড়কের দুপাশে।

বসুন্ধরা গ্রুপের এরিয়া জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি ট্রাক, মিনি ট্রাক এবং কভার ভ্যান। এর ফলে এই জায়গা থেকে দুটি বাস অথবা ট্রাক একসাথে ক্রসিং করতে পারে না। কোন কোন সময় পার্ক করা ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে চলতি কোন গাড়ির। অথচ বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ কোন নজর দিচ্ছে না এ ব্যাপারে। মংলাবন্দরে নির্মিত ই,পি,জেড এলাকায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে প্রায় ২০০০ হাজার মানুষ। দিন দিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি মোড় থেকে মংলা বন্দর পর্যন্ত, বিভিন্ন এলাকা থেকে এই মংলা বন্দরকে উদ্দেশ্য করে কাজ করতে আসে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক। তাদের যাতায়াতের জন্য খুলনা-মংলা মহাসড়কই একমাত্র পথ। অথচ জীবনের তাগিদে এই মানুষগুলো জীবন বাজি রেখে যাতায়াত করছে। তার উপর এই জায়গা থেকে মহাসড়কের বেহাল অবস্থা।

বিভিন্ন কল কারখানার শ্রমিকদের মতে এই মহা সড়কের বেহাল দশার জন্য অবৈধ ট্রাক পার্কিং একমাত্র দায়ী। আর তাদের মতে অবৈধ ট্রাক পার্কিং উচ্ছেদ করলে তাদের যাতায়াত আরো জীবন উপযোগী হয়ে উঠবে। বসুন্ধরা গ্রুপের সামনে মহাসড়কে পার্ক করা ট্রাকের একজন ড্রাইভার শাহ আলম খান (৪৮) বলেন আমরা যাদের মাল বহন করবো তারা তো সিরিয়াল অনুযায়ী আমাদের ট্রাকলোড দেবে। তাই আমাদের রাস্তায় সিরিয়াল দিতে হচ্ছে। অবৈধ ট্রাক পার্কিং এর কারণে যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি আশা করছেন অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ।

আলোকিত প্রতিদিন/জুলাই/১৩/এমএ

এই সংবাদ ১২৩ বার পঠিত।
ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন