নড়াইলে ২ সন্তানের জননীকে অপহরন করে ধর্ষনের ঘটনায় থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: নড়াইলের কামার গ্রামে ২ সন্তানের জননী সারমিন খানম (২৭) কে অপহরন করে ধর্ষন করার ঘটনায় ৩ জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ গৃহবধু সারমিন খানম মামলাটি দাযের করেন। মামলা নং-০১। মামলার আসামীরা হলো একই (কামার গ্রামের) গ্রামের শিশির সরকারের ছেলে অমিত সরকার (৩৫), রহমান ঠাকুরের ছেলে জহির ঠাকুর (৪৫) ও শিশির সরকারের ছেলে প্রহলাদ সরকার(২৫)। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, মামলার বিবরনে জানা যায়, আসামী অমিত সরকারের স্ত্রী সন্তান থাকলেও একই গ্রামের মহব্বত শেখ’র স্ত্রী সারমনি খানমকে দীর্ঘ দিন ধরে কু-প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে উত্যক্ত করে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জুলাই আবারও অমিত গৃহবধু সারমিনকে কু-প্রস্তাব দিলে সারমিন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এতে আরোও রাগান্বিত হন নেশাখোর সন্ত্রাসী অমিত সরকার। পরদিন ২৭ জুলাই কামারগ্রামের মোস্তাকের মুদি দোকানের সামনে থেকে সারমিন খানমকে জোর প‚র্বক মাইক্রোবাসে অপহরন করে নিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে ঠেকাতে পারেনি। তাকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা নামক আবাসিক নিয়ে তার ইচ্ছার বিরূদ্ধে জোর প‚র্বক দফায় দফায় ধর্ষন করে। এদিকে সারমিনের স্বামী ও স্বজনরা অমিতের পরিবারকে চাপ দিলে ৩০ জুলাই গৃহবধু সারমিনকে তারা ফেরত এনে দেয়।

অনুসন্ধানে কামারগ্রামে গিয়ে জানা যায়, লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সিকদার আব্দুল হান্নান রুনু বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তার কারনেই এ মামলা হতে দেরি হয়েছে। আর স্থানীয় গ্রাম্য রাজনীতির কারনে আক্রোশম‚লক ভাবে তার ভাগ্নে ইউপি সদস্য জাকিরকে এ মামলায় আসামী করা হয়েছে। অমিত একাই গৃহবধুকে ফুসলিয়ে চট্টগ্রাম নিয়ে ধর্ষন করেছে। কেউ কেউ জানান, ঘটনাটি প্রেমের। অপহরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। প্রেমের টানেই তারা ঘর ছেড়েছিল। সামাজিক চাপে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। আবার আবার কেউ কেউ ক্ষোভের সাথে বলেন, অমিত অত্যন্ত বেপরোয়া সন্ত্রাসী।

একজন মুসলিম গৃহবধুকে আবাসিকে নিয়ে ধর্ষন করার মত দুঃসাহস দেখিয়েছে এই সন্ত্রাসী। অথচ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। নড়াইলের লোহাগড়া থানার ওসি মো: মোকাররম হোসেন এ ঘটনায় মামলা হওয়ার কথা স্বিকার করে, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান, ধর্ষিত গৃহবধু সারমিন খানম’র মেডিকেল’র জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/আগস্ট/০৫/এসএম

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন