সরকার বন্যায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা এবং পুনর্বাসনের ব্যাবস্থা করবে – কৃষিমন্ত্রী

সৈয়দ এনামুল হুদা : সরকার বন্যায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা এবং পুনর্বাসনের ব্যাবস্থা করবে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে কোন ধরনের প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলায় সুন্দর পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন যার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসনীয়। আর তাই দেশের উন্নয়নে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাচামারায় নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন এবং বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপি এসব কথা বলেন।
বাচামারা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এসময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মীর্জা আজম এমপি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্রী অসীম কুমার উকিল এমপি,তথ্য ও গভেষনা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন,ত্রান ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজিত রায় নন্দী,শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামছুন নাহার চাঁপা,কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার,আনোয়ার হোসেন,মারুপা আক্তার পপি,উপধাক্ষ্য রেমন্ড আরেং,মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহীউদ্দীন আহমেদ মুকুল, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম রাজা,শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান খান জানু,জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগনসহ জেলা, উপজেলা আ’লীগ ও এর সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন- এবার কৃষক ধানের ন্যায্য মুল্য না পাওয়ায়, কৃষকদের বিনামুল্যে সার- কীটনাশকসহ কৃষি সরঞ্জামাদি সরবরাহ করবে সরকার। এজন্য নেয়া হয়েছে বৃহত্তর পরিকল্পনা।
নদী ভাঙ্গনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,এর স্থানীয় সমাধানে এবং নদীর নাব্যতা বাড়াতে ড্রেজিং ও ভাঙ্গনরোধে বেড়িবাধ নির্মান বাস্তবায়নে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এসময় তিনি আরো বলেন, বিএনপি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে থাকার পরিবর্তে দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন চক্রান্তে ব্যস্ত।সর্বশেষ তিনি বলেন বন্যা কবলিত মানুষের ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের ১২০ কোটি টাকা রয়েছে আর তাই বন্যা এবং নদী ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধান করা হবে বলে বক্তব্য শেষ করেন। পরে মন্ত্রী শিবালয়ের অন্বয়পুর ও হরিরামপুর উপজেলার বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এসময় তিনি ৫ হাজার বন্যার্তদের মাঝে ৩০ কেজি চাউলসহ শুকনো খাবার বিতরন করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/জুলাই/১৯/এসএহ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন