নির্বাচনকালিন সময়ে প্রশাসনকে সহায়তায় থাকবে সেনাবাহিনী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ উপলক্ষ্যে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি একথা জানান। ভাষণটি রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়।

সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৭ লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে ৬ লক্ষাধিক পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যকে নির্বাচনের আগে ও পরে মোতায়েন করা হবে।’

নূরুল হুদা বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। তারা আইনানুগ ও নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে সুদৃঢ় থাকবেন। তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার উপর বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে।’

দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সিইসির ঘোষিত তফসিল অনুসারে, আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে। ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিরা মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ নভেম্বর। ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। আর প্রার্থিদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৩০ নভেম্বর।

 

 

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ নভেম্বর/আরএইচ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন