বন উজার করে প্লট আকারে বিক্রি করেছে আশুলিয়া মডেল টাউন । বনবিভাগের মাথা ব্যথা নেই

শহিদুল্লাহ সরকার (নিজস্ব প্রতিবেদক) সাভার

ঢাকার সাভারে বন উজার করে বন বিভাগের জমি প্লট আকারে বিক্রয় করেছে আশুলিয়া মডেল টাউন। উপজেলার বন কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজসে অবৈধ বেচাবিক্রি হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে।  সরেজমিনে দেখা যায়, জমির তফসিল অনুযায়ী সাভার বিরুলিয়ায় খাগান মৌজায় এমন সব ঘটনা ঘটছে। ওই সব জমির প্লট করে বিক্রির উপযোগী করে সেখানে টানিয়ে দেয়া হয়েছে আশুলিয়া মডেল টাউনের সাইনবোর্ড। এসব জমির সাবেক ও এস.এ খতিয়ান নং-২, আর.এস খতিয়ান নং-২ বি.এস খতিয়ান নং-২। সি.এস ও এস.এ দাগ নং-১৪২, ১৪৪ ও ৫৭ এবং আর.এস দাগ নং-৪৫১, ৪৫২, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৩৬, ৪৩৮, ৪৬৩, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৭৪, ৬৮, ৬৯ এবং বি.এস দাগ নং-১৪০২, ১৪০৩, ১৪০৪, ১৪০৫, ১৪০৬, ১৪২৯, ১৪৩০, ১৭১০, ১৭১১, ১৭১২, ১৭১৩, ১৭১৪, ১৭১৫, ১৭১৭, ১৭২৬,১৭২৭, ১৭২৯, ১৭৩০, ১৭৩১, ১৭৩২, ১৭৩৩, ১৭৩৪, ১৭৩৫, ১৭৩৬ ও ৫৯৪ ।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে পরিবেশ বাদী সংগঠক জানান, ‘খাগান, চৌবাড়ীয়া, দামপাড়া মৌজার বিভিন্ন দাগে শত শত একর বন বিভাগের জমিতে আশুলিয়া মডেল টাউনের সাইনবোর্ড ঝুলছে। অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে প্লট। যার ফলে বন-পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বন বিভাগের নাকের ডগায় এমন কাজ হলেও নজর নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বনবিভাগের সাথে যোগসাজসে এমনটা হচ্ছে বলে শুনেছি ।’

এদিকে, জমির কিনে জমি বুঝে পাচ্ছেন না অনেকে। প্রতারণোর ফাঁদে পড়া এমন একজন জানিয়েছেন, ‘বানোয়াট কাগজপত্র দেখিয়ে তার কাছে প্লট বিক্রি করা হয়েছিলো। এখন তিনি জমি বুঝে পাচ্ছেন না। প্রথম প্রথম আশুলিয়া মডেল টাউনের কর্মকর্তারা ভালো ব্যবহার করেছেন। এখন জমি বুঝিয়ে দিতে বললে হুমকি ধামকি দিচ্ছে ।’

এলাকাবসীদের পক্ষ থেকে জানা যায়, অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে এই পযর্ন্ত কোন অভিযান পরিচালনা করেনি কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ সঠিক ও নিয়মিত তদারকি করলে মানুষ প্রতারণার ফাঁদে পড়তো না বলে তারা মনে করেন। এই বিষয়ে ফোনে বনবিভাগের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ সেপ্টেম্বর/আরএ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন