বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় চাঙ্গা বাজার

‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ পলিসি থেকে বের হয়ে আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। এতে করে লেনদেন ৫০০ কোটি টাকার ঘর থেকে আবারো ৮০০ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি বেড়েছে মূল্য সূচক।

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে ১২ পয়েন্ট। এ সময় ডিএসইতে ৮১৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৩৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক ৪০.৫৩ পয়েন্ট বেড়েছে।

ডিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় জানা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টি, দর কমেছে ১৪৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৫১টি প্রতিষ্ঠানের। দিনশেষে ডিএসইতে ২০ কোটি ১ লাখ ৫ হাজার ৫১৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে ১২ পয়েন্ট। এ সময় ডিএসইএক্স সূচক ৫৫৭৪.২৩ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। অন্যদিকে, ডিএসইএস সূচক ১.৩০ পয়েন্ট কমেছে। কিন্তু, ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ২.৯১ পয়েন্ট।

দিনশেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি। দিনশেষে কোম্পানিটির ৬৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল একটিভ ফাইন, কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে সামিট পাওয়ার।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো— ইফাদ অটোস, নাহি অ্যালমুনিয়াম, আমান ফিড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, পেনিনসুলা চিটাগাং, বিবিএস ক্যাবলস ও ওয়াইমেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫১টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১১টির, দর কমেছে ১০২টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের। এ সময় সিএসইতে ৩৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪০.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৪২৬ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এ সময় সিএসইতে টার্নওভার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে সামিট পাওয়ার। কোম্পানিটির ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সূত্র: পরিবর্তন.কম

আলোকিত প্রতিদিন/৭সেপ্টেম্বর/আরএইচ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন