বাংলাদেশের বিপক্ষে কোন কৌশলে খেলবে পাকিস্তান

প্রতি আক্রমণ দিয়ে বাংলাদেশকে ঘায়েল করার ছক কষছে পাকিস্তান। ‘নাম্বার নাইন’ অ্যান্ড ‘নাম্বার সিক্সটিন’—পাকিস্তান ফুটবল দলের ব্রাজিলীয় কোচ জোসে অ্যান্তনিও নোগেইরার মাথায় এখন ঘুরছে কেবল এ দুটি সংখ্যাই। এই দুটি সংখ্যা বাংলাদেশ দলের দুই ফুটবলারের জার্সি নম্বর। নয় নম্বর সাদ উদ্দীন আর ষোলো মাহবুবুর রহমান সুফিলের। পাকিস্তান কোচের ট্যাকটিকস বোর্ডে এই দুজনের নাম লাল কালি দিয়ে লেখা। এই দুই বাংলাদেশি ফুটবলারকে নিয়ে চলছে পাকিস্তানের ব্রাজিলীয় কোচের সব গবেষণা।

পাকিস্তানের কোন কোন খেলোয়াড়ের দিকে বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে আলাদা মনোযোগ দিচ্ছেন, সেটি অবশ্য জানা যায়নি। দলীয় সূত্রে পাওয়া খবর, হুমকি হিসেবে জেমি ডে যাদের দিকে আঙুল তুলেছেন, তাদের মধ্যে অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন অন্যতম। বছর খানিক আগে কিরগিজস্তানের চ্যাম্পিয়ন দল দরদেই বিশকেকে খেলা সাদ্দাম ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত হয়তো নন, কিন্তু তাঁর খেলায় নাকি ‘ইউরোপীয়’ স্পর্শ আছে।

বর্তমানে সাইপ্রাসে নিচের সারির দলে খেলা দীর্ঘদেহী এ মিডফিল্ডারই পাকিস্তান দলের চালিকা শক্তি। যদি তাঁর খেলা না দেখে থাকেন, বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার খেলার ধরনটা ভেবে নিলেই চলবে। প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিতে তাঁর জুড়ি নেই। আবার মাঝমাঠ থেকে আচমকা থ্রু বাড়ানোতেও তিনি পটু। সে কারণেই ব্রাজিল কোচের ভরসা তাঁর অধিনায়ক। বাংলাদেশ কোচের সমীহের চোখেও তাই তিনি।

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ ও গতকালের অনুশীলনের ওপর ভিত্তি করে বলাই যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতি আক্রমণে খেলার কৌশলই নিয়েছে পাকিস্তান। যার প্রধান চালিকা শক্তি দুজন। একজন সাদ্দাম, আরেকজন রাইট উইঙ্গার আদিল মোহাম্মদ। তাঁরা দুজনেই কিরগিজস্তান ক্লাবের সাবেক সতীর্থ। বোঝাপড়াটা কেমন হবে, তা তো বোঝাই যায়। নেপালের বিপক্ষে বদলি নেমে জয়সূচক গোলটি করিয়েছিলেন আদিলই। প্রথম একাদশে আজ তাঁর জায়গাটা প্রায় পাক্কা। গতকাল দুপুরে শেখ জামাল ধানমন্ডি মাঠে সেই প্রতি আক্রমণের শেষ মহড়াটাই দিয়েছেন পাকিস্তান কোচ।

আলোকিত প্রতিদিন/৬ সেপ্টেম্বর/আরএ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন