সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে সরকারী জমি জবর-দখলে রেখেছে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ

চারটি রেকর্ড মূলে সম্পত্তির মালিক সরকার

আলী হোসেন (সাভার প্রতিনিধি): আশুলিয়া মডেল টাউনের মধ্যে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে বলে লিজী ভ‚ক্তভোগী ও ভ‚মি মন্ত্রণালয়ের ভূমি সংস্কার বোর্ডের সহকারী ম্যানেজারের অভিযোগ রয়েছে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের বিরুদ্ধে। আশুলিয়া মডেল টাউনের জমি বিক্রি করার পরেও ক্রেতাদের জমির দলিল ও দখল বুঝিয়ে দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়াও আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির নিকট ৪ (চার) একর সরকারি জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করেছে বলেও জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভ‚ক্তভোগী জানান, আশুলিয়া মডেল টাউন এর জায়গা ক্রয় করে এখনও দখল বুঝে পাননি এবং দলিল বুঝিয়ে দেয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন তালবাহানা করে ঘোরাচ্ছেন। জনাব মালেক জোমাদ্দার নামে এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদকের নিকট আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নামে অভিযোগ করে বলেন, তিনিও আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের কাছে থেকে আশুলিয়া মডেল টাউনের জমি কিনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, জমির দখল এবং দলিল বুঝিয়ে দেবে বলে ২০১০ সাল থেকে বিভিন্ন তালবাহানা করে কালক্ষেপন করছেন তারা। আশুলিয়া মডেল টাউনের প্রতারণার ঘটনা এখানেই থেমে নেই, খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের এই প্রতারণা চক্রটি বিশাল আকার ধারন করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব গোলাম রসুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন- ‘সরকারি সম্পত্তি আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে ২০১৩ সালে লীজ গ্রহণ করি কিন্তু আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ আমার মতো শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জমিতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। বর্তমান সরকারের অনেক প্রভাবশালী মন্ত্রীদের নিকট সহযোগিতার জন্য গিয়েও এর কুলকিনারা করতে পারছি না। প্রকৃত বিচারে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ টাকার জোরে দেশের প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে। ধরাকে সরা জ্ঞান করাই যেন তাদের কাজ।’

খাগান মৌজার আরেক লীজ গ্রহিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আলী হোসেন ভ‚ইয়া বলেন- ‘ সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে সরকারি সম্পত্তি মুক্তিযোদ্ধাদের নামে লীজ নিয়ে এখন মহা বিপদে আছি।
জনাব সৈয়দ নুরুল হুদা সহ মোট ২১ জন পৃথক পৃথক আবেদনের প্রেক্ষিতে দখল থাকায় বিভিন্ন সময় ভ‚মি মন্ত্রণালয়, ভ‚মি সংস্কার বোর্ড কর্তৃক বিভিন্ন তারিখে মোট ৩.২৫ একর জমি লিজ গ্রহণ করেন। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লি: মতিঝিল কর্পোরেট শাখার পে অর্ডার এর মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে ভ‚মি সংস্কার বোর্ডের নিকট থেকে লীজ গ্রহণ করেন। লিজসূত্রে প্রাপ্ত দখলীয় ভ‚মির তফসিল- জেলা: ঢাকা, থানা: সাভার, ৬২৩ নং মৌজা খাগান, সি এস খতিয়ান নং-০১, বি এস খতিয়ান নং-৩, সি এস দাগ নং- ১৪৪- চ‚ড়ান্ত প্রকাশিত হাল (বি এস) দাগ নং- ৯৩২, ৯৩৩, ৯৩৪, ৯৩৫, ৯৩৬, ৯৩৭, ৯৩৯, ৯৪০, ৯৪১, ৯১২, ৯১১ এবং সি এস দাগ নং- ১৪৮- চ‚ড়ান্ত প্রকাশিত হাল (বি এস) দাগ নং- ৯৪০, ৯৪১, ৯৪২, ৯৪৩, ৯৪৪, ৯৪৫ এবং সি এস দাগ নং- ১৪২- চ‚ড়ান্ত প্রকাশিত হাল (বি এস) দাগ নং- ৮৯০, ৮৯১, ৮৯২, ৮৯৩, ৮৯৪, ৮৯৫, ৮৯৬, ৮৯৭, ৮৯৮, ৮৯৯, ৯০০, ৯০১, ৯০২, ৯০৩, ৯০৪, ৯০৫, ৯০৬, ১১১১, ১১১২, ১১১৪, ১১১৫, ১১১৬, ১১১৭, ১১১৮, ১১১৯, ১১২০, ১১২১, ১১২২, ১১২৩। চৌহদ্দী: খাগান বাস স্ট্যান্ড থেকে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার সরকারি রাস্তা সংলগ্ন মা মঞ্জিলের সামনের রাস্তার দুই পাশের অংশ।

সৈয়দ নুরুল হুদা সহ লীজ গ্রহণকারী কয়েকজন গত ১৬/০৭/২০১৮ তারিখ সোমবার, বেলা আনুমানিক ০২ (দুই) টায় লিজ প্রাপ্ত জমিতে গেলে, লিজ প্রাপ্ত হওয়ার খবর জানাজানি হলে লিজকৃত জমিতে এসে আশুলিয়া মডেল টাউন ওরফে আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ডস্ ডেভেলপমেন্ট নামক কোম্পানির অজ্ঞাতনামা কতিপয় সিকিউরিটি বাহিনী বন বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তাদেরকে সাথে নিয়ে এসে ভয় ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদর্শন করে বলে যে, ‘আমরা তোদের বৈধ লিজকৃত সম্পত্তি হতে উচ্ছেদ করে বেদখল দেবো। জোরপূর্বক বন বিভাগের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সহযোগিতায় লিজ গ্রহণকারীদের মারধর করে সম্পত্তি হতে বের করে দিয়ে অবৈধভাবে তারা স্থাপনা নির্মাণ করবে বলেও পায়তারা চালাচ্ছে এবং লোকজনের নিকট বলাবলি করছে।’ এ বিষয়ে জিডিতে লিজ গ্রহণকারীদের পক্ষে সৈয়দ নুরুল হুদা এবং শহিদুল্লাহ সরকার উল্লেখ করেন, ‘সরকারের কাছ থেকে সম্পত্তি লিজ গ্রহণ করে এখন নিজেদের জান-মালের অপূরণীয় ক্ষতি হবার শঙ্কার মধ্যদিয়ে দিনাতিপাত করছি। এমনকি লিজকৃত জমিও বেদখল হবার আশঙ্কা বিদ্যমান রয়েছে।’ এই বিষয়ে সাভার মডেল থানায় শহিদুল্লাহ সরকার আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডাইরী করেন যার নং-১০৩৪, তারিখ: ২০/০২/২০১৮। একই বিষয়ে সৈয়দ নুরুল হুদা সাভার মডেল থানায় একটি ডাইরী করার আবেদন করলে আবেদনটি ওসি সাহেব সাব ইন্সপেক্টর জনাব তরিকুল ইসলামকে তদন্তের জন্য দেন। কিন্তু বিভিন্ন ব্যস্ততায় তদন্তের বিষয়টি আজও আলোর মুখ দেখেনি। উক্ত বিষয় নিয়ে সৈয়দ নুরুল হুদা বাদী হয়ে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর আবেদন করে অনুলিপি দিয়েছেন পুলিশ সুপার, ঢাকাকে। বর্ণিত ঘটনার সত্যতা জানার জন্য দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর নিউজ এডিটর অফিসিয়াল ফোন: ৯১১৯০০২ হতে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ধানমন্ডিস্থ কর্পোরেট অফিসের ফোন: ৫৮১৫৫১০১ এ একাধিকবার যোগাযোগ করেও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জনাব এম এম এনামুল হক এর সঙ্গে কথা বলতে পারেননি। এক পর্যায়ে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ হতে জনাব গাজী আহমদ উল্লাহ মিডিয়া ম্যানেজার যার মোবাইল নং- ০১৭১৩০৬৪৩৪৭ এ যোগাযোগ করলে এ সংবাদের সত্যতা সম্পর্কে কোনো সদোত্তর না দিয়ে তিনি পাশ কাটিয়ে যান। তিনি সরকারি জমি আশুলিয়া মডেল টাউনের মধ্যে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন কি না এ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য ২ (দুই) দিনের সময় নেন। মূলত আশুলিয়া মডেল টাউনের অধিকাংশ জায়গা সি এস এবং বি এস রেকর্ড মূলে মালিক হচ্ছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে- ভূমি মন্ত্রণালয়, ভূমি সংস্কার বোর্ড, কোর্ট অব ওয়ার্ডস, ঢাকা নওয়াব এস্টেট-১৪১-১৪৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০ হবার পরেও আশুলিয়া মডেল টাউন জোর জবরদস্তি করে সরকারের খাস সম্পত্তি দখল করে বসে আছেন। এলাকার সাধারণ জনগণ তার ভয়ে সদা তটস্থ্য, তার নাকি টাকা দিয়ে পালা গুন্ডা বাহিনী ও সিকিউরিটি বাহিনী রয়েছে। এ প্রতিবেদককে খাগান এলাকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, প্রকৃত বিচারে আশুলিয়া মডেল টাউন দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে এতে ভাবতে হবে তাদের খুঁটির অনেক জোর। আশুলিয়া মডেল টাউন নিয়ে গত ১৯ জুলাই ২০১৮ তারিখে এ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিভিন্ন নাম্বার হতে ফোনে এবং লোক মারফত সম্পাদককে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলা হয়- ‘‘আশুলিয়া মডেল টাউন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলবো অথবা মিথ্যে মামলায় ফাসিয়ে জেলের ভাত খাওয়াবো।’’ এ বিষয়ে নিরুপায় ও বাধ্য হয়ে সৈয়দ নুরুল হুদা শেরে বাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেন যার নং- ১৮৩৪, তারিখ: ২৭/০৭/২০১৮। গত ২৯ জুলাই ২০১৮ তারিখে অত্র পত্রিকায় উক্ত ঘটনার ফলোআপ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

অপরদিকে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর গত ২৭/০৭/২০১৮ তারিখে আশুলিয়া মডেল টাউন, ভ‚মি মন্ত্রণালয়, ভ‚মি সংস্কার বোর্ড এর নামে সি এস ১৪২ দাগের চ‚ড়ান্ত প্রকাশিত হাল (বি এস) খতিয়ান নং-৩, ৯৩৪ ও ১১১৮ দাগের রাস্তার দু’পাশে দুটি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়েছে, সেখানে লেখা রয়েছে ‘‘আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের খরিদকৃত সম্পত্তি’’। প্রকৃত বিচারে চূড়ান্ত প্রকাশিত বিএস রেকর্ড মূলে এবং হাল নকশার দাগ অনুযায়ী সাইন বোর্ড উত্তলিত জমির মালিক সরকার। এ প্রতিবেদক প্রথম রিপোর্টটি লেখার পূর্বে উল্লেখিত স্থানে গিয়ে কোনো সাইনবোর্ড দেখতে পাননি। স্বাভাবিকভাবেই সাইন বোর্ডের বিষয়ে স্থানীয় লোকজনদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে নাম প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করে অনেকেই বলেন, টাকার জোরে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানিয়ে সরকারি সম্পত্তি বেদখল দিয়ে রাখছেন। সরকারি সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে বহাল তবিয়তে আছে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ। এ বিষয়ে প্রশাসন নির্বিকার। অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব এনামুল হক বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় তার ভ‚মি ব্যবসার উত্থান। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ আশুলিয়া মডেল টাউনের কাজ ২০০৪ সালে বিএনপি জামায়াতের সময় শুরু করেন। ওয়ান ইলেভেনের সময় ভূমি দস্যু হিসেবে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান গ্রেফতার হন। অনেক চতুরতার সাথে তিনি টাকার জোরে ব্যবসা বাণিজ্য টিকিয়ে রেখেছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসলে আশুলিয়া মডেল টাউনের কাজ বাধাগ্রস্থ হয়।

এ বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান সুজন এর দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার বে-আইনী কার্যকলাপের বীরুদ্ধে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমার ইউনিয়নে সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কোন অনিয়ম হতে দিবো না। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তাকে সরকারী সম্পত্তি অবৈধ ভাবে ভোগ দখল করতে দেয়া হবে না। সরকার দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারী সম্পত্তি লিজ প্রদান করে রাজস্ব গ্রহন করেছে, কাজেই লিজীদের যাতে অবৈধ ভাবে সম্পত্তি হতে বেদখল দিতে না পারে সে ব্যাপারে আমার ভূমিকা স্পষ্ট। প্রয়োজনে আমি আইন শৃংখলা বাহিনীর সহায়তা চাইবো। দুর্নিতীবাজ যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তাকে প্রতিহত করা হবে। সর্বপরী আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ বর্তমান সরকারের রাজনীতির সাথে জড়িত না, কাজেই তার অপকর্মের দায় দায়িত্ব আমরা নিতে যাবো কেন?”

এ ব্যাপারে সাভার থানার তদন্তকারী অফিসার এস আই তরিকুল ইসলাম বলেন, আমার নিকট লিজ গ্রহিতার একটি আবেদন ওসি সাহেব দিয়েছেন। আপনারা জায়গাটি সরোজমিনে দেখান এবং আপনাদের কাগজপত্র দেন, আমি আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের সাথে কথা বলে ফয়সালা করে দেব। যদি কিছু করতে না পারি তাহলে কোর্টের আশ্রয় নিবেন। সর্বপরী এ ব্যাপারে ওসি সাহেবের বক্তব্য নেয়াই ভালো হবে বলে সাব-ইন্সপেক্টর পাশ কাটিয়ে জান।

আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব এম এম এনামুল হক বর্তমান সরকার পতনের জন্য গোপনে অত্যান্ত সু-কৌশলে জামায়াতকে অর্থনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সংবাদের সত্যতা জানার জন্য আলোকিত প্রতিদিন এর পক্ষ থেকে ফোনে যোগাযোগ করলে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের গাজী আহমদ উল্লাহ নামের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের উচ্চ পদস্থ এক কর্মকর্তা বলেন- আমরা সম্পত্তির মালিকানা না কিনলেও দখল কিনে নিয়েছি। বিএনপি জামায়াতের সাথে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যানের সুসম্পর্ক রয়েছে কিনা এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে উচ্চ পদস্থ এক কর্মকর্তা বলেন- আমাদের চেয়ারম্যান সাহেব ধর্মপ্রাণ মানুষ হিসেবে হুজুরদের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হুজুরদের দান-খয়রাত দিয়ে থাকেন কিন্তু বিএনপি জামায়াতকে অর্থনৈতিক জোগান দেন বলে আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান সাহেব ভাল বলতে পারবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/৩আগস্ট/আরএইচ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন