আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী তৃণমূল নেতা রফিকুল ইসলাম রেনু

বিশেষ প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ: রাজনীতিই যার একমাত্র নেশা ও পেশা। যার জীবন-যৌবন, সময় ও অর্থ সবই ব্যয় করেছেন দলের পিছনে। দলকে সু-সংগঠিত করতে রাত-দিন পরিশ্রম করে রোদ-বৃষ্টি-ঝড় উপক্ষো করে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে দলকে আগলে রেখেছেন। যার ধ্যান-ধারণায়, চিন্তা-চেতনায় শুধুই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ। সেই মানুষটি হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনু। তিনি এবার কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী।

ছাত্রজীবন থেকেই সাধারণ মানুষের সুখে-দু:খে, বিপদে-আপদে পাশে থেকে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এলাকায় ছোট-বড়, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষ, ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সকল মহলের প্রিয় মানুষ, প্রাণের মানুষ, হৃদয়ের মানুষ রফিকুল ইসলাম রেনু। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করে আসছেন। দলের দূর্দিনে পাশে থেকে তাদের আগলে রেখেছেন। তাই তিনি আওয়ামীলীগের কান্ডারী ও তৃণমূল নেতা হিসেবেও এলাকায় খ্যাতি অর্জন করেছেন।

অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল মনে করেন, বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সোহরাব উদ্দিনের বিভিন্ন ব্যর্থতা এবং তার কয়েকজন কর্মীর দুর্নীতি ও বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে এলাকায় সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীরা এমপির প্রতি খুবই ক্ষুদ্ধ। তাই আওয়ামীলীগের পরীক্ষিত কর্মী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক মো. রফিকুল ইসলাম রেনু’র মত সাহসী তরুন নেতাদের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। এ কারণে রফিকুল ইসলাম রেনু দলীয় মনোনয়ন লাভে এই আসনে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে। পাশাপাশি তৃণমূলের কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। এখানে আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী থাকলেও সবার কাছে সমান জনপ্রিয় রফিকুল ইসলাম রেনু। এই আসনে আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তাঁর। তাঁর এ ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তিনি আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মী।

রফিকুল ইসলাম রেনু রাজনৈতিক জীবনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য। তিনি পাকুন্দিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের দুই দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মিছিল করায় তিনি যৌথ বাহিনীর হয়রানীর স্বীকার হয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখ্যযোগ্য। সে সময় আন্দোলন সংগঠিত করতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার হয়ে শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলেন।

আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা বলেন, মো. রফিকুল ইসলাম রেনু একজন ব্যাপক জনপ্রিয় মানুষ। আওয়ামীলীগের সকলের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে। তাছাড়া তিনি একজন সাহসী তরুন প্রার্থী। সব কিছু মিলিয়ে রফিকুল ইসলাম রেনু এ আসনে মনোনয়ন পেলে বিজয় নিশ্চিত।

খন্দকার আছাদুজ্জামান/আলোকিত প্রতিদিন/২৪অক্টোবর/আরএইচ

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *