ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৭ দিনের ব্যবধানে ৩ ধর্ষন! | আলোকিত প্রতিদিন

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৭ দিনের ব্যবধানে ৩ ধর্ষন!

Spread the love

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে গত এক সপ্তাহে স্কুলছাত্রী, গৃহবধূসহ তিনজন ধর্ষিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক গ্রাম্য ডাক্তারকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২ জানুয়ারি মহেশপুর উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের গ্রাম্য ডাক্তার তারেক গোপালপুর গ্রামের এক গৃহবধূকে চিকিৎসার অজুহাতে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় ৩ জানুয়ারি একটি মামলা করে। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ ডাক্তারকে আটক করে।

এছাড়া ৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে নেপা ইউনিয়নের ঘোষপুর গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলাকে ফুসলিয়ে সেজিয়া গ্রামের তরিকুলের বাড়িতে নিয়ে এক মেম্বারসহ তিনজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ৫ জানুয়ারি রাতে মহেশপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়। এ মামলায় আসামীরা হলো সেজিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আলিম (৩৭), যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম (৩০) এবং যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন (৩৫)। আসামীরা পলাতক রয়েছে।

আবার ৩ জানুয়ারি বেড়েরমাঠ গ্রামে মুজিবার রহমানের ছেলে গাজী মিয়া ফতেপুর শামছুদ্দিন সর্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরদিন থানায় মামলা করতে আসার পথে স্থানীয় নেতারা সালিশ করার আশ্বাস দিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এই সুযোগে আসামী গাজী ঢাকায় পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ভিকটিমের মা বিদেশ থাকায় বখাটে গাজী ঘরে ঢুকে জোর পূর্বক তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানতে পেরেছি।

এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, দুই ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এক আসামি আটক আছে। বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

আতিকুর রহমান
আলোকিত প্রতিদিন/৯ জানুয়ারি/আরএইচ

এই সংবাদ ৩৮৫ বার পঠিত।
ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন