দুই-এক জন কোটিপতি | আলোকিত প্রতিদিন

দুই-এক জন কোটিপতি

Spread the love
একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা

তুষার আহসান ও রাসেল হোসাইন: দামি গাড়িতে চড়ে দামি ফোন ব্যবহার করলেও নির্বাচনী মাঠে নামা প্রার্থীদের এসব সম্পদ অধিকাংশই উপহারের অথবা স্ত্রীর। হেভিওয়েট থেকে শুরু করে প্রায় সব প্রার্থীর বাড়ি তাদের স্ত্রীর। কারও কারও স্ত্রীর অলংকারও নেই। আবার অনেক মন্ত্রী, সাংসদ ও সাবেক সাংসদ দেনার দায়ে ডুবে থাকলেও স্ত্রীর ব্যাংক হিসেবে অর্থ জমার পরিমাণ আগের তুলনায় বাড়তে দেখা গেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফ নামায় দেয়া প্রার্থী ও তার স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী এই কথাই বলছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বার্ষিক আয় ৩১ লাখ টাকা। তার চেয়ে বছরে ২০ লাখ কম আয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। সাড়ে তিন লাখ টাকা দেনার দায় নিয়ে আছেন ফখরুল ইসলাম। আর ওবায়দুল কাদেরের হাতের মোবাইল ফোনটি উপহার হিসেবে পাওয়া। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নিজের চেয়ে স্ত্রীর নামেই সম্পদ বেশি। তার মাসিক আয় ৯ লাখ ৩ হাজার ৫১৭ টাকা। ব্যাংকে ঋণ আছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪ হাজার ৬৩৫ টাকা। তবে গত ১০ বছরের তুলনায় রাশেদ খান মেননের উন্নতির পাশাপাশি তার স্ত্রীরও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সম্পদের পরিমাণে শূন্য থেকে হয়েছেন কোটিপতি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী মেননের স্ত্রীর নামে যে বাড়িটি রয়েছে তার মূল্যই ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ টাকা। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরী গৃহিনী হলেও পাঁচ বছরে কোটিপতি বনে গেছেন। নিজেদের তুলনায় স্ত্রীর সম্পদ বৃদ্ধির হতে দেখা গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, আরেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ সদস্য হাজী সেলিম, ঢাকা-১৩ আসনে আওয়মী লীগ প্রার্থী সাদেক খান, চট্টগ্রাম-১১ আসনের এমপি আবদুল লতিফসহ আরও অনেকের হলফনামায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের দেয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে পাওয়া প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।

ওবায়দুল কাদের
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে হলফনামায় অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বেসরকারি চাকরি করেন। তিনি এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে বেতন ভাতা পান এবং বই ও পত্রপত্রিকায় লিখে আয় করেন। নিজের আয়ের স্থানে তিনি উল্লেখ করেছেন- বাড়িভাড়া/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে বছরে আয় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার, পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি) ১২ লাখ ৬০ হাজার, বই লিখে আয় ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫১টাকা। মোট ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৬৫১টাকা। মাসিক গড় আয় ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ টাকা ২৫ পয়সা।
স্ত্রীর আয়ের স্থানে তিনি উল্লেখ করেছেন- বাড়ি ভাড়া/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে বছরে আয় ২ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৬ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ৩ লাখ ৯৩ হাজার ২৬০টাকা। পেশার স্থানে লেখা আছে প্রযোজ্য নয়, অন্যান্য আয় দেখিয়েছেন- ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫১৯ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার নিজের নগদ টাকা আছে ৫৫ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ৮৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪২ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ১ কোটি ২৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮টাকা। বাস, ট্রাক, মোটর গাড়ি ও মোটরসাইকেল ইত্যাদি বিবরণী (পরিমাণ, অর্জনকালীন সময়ের মূল্যসহ) ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। এছাড়া ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ২৫ তোলা স্বর্ণ আছে। তিনি উপহার পাওয়া মোবাইল ব্যবহার করেন। নিজের নামে ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র আছে।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ব্যাংক ঋণ আছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৪ হাজার ৬৩৫ টাকা, নিজের চেয়ে স্ত্রীর নামেই সম্পদ বেশি। তার মাসিক আয় ৯ লাখ ৩ হাজার ৫১৭ টাকা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ব্যবসা থেকে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, বিশেষ দূতের সম্মানি ১৯ লাখ ৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, সংসদ সদস্যের সম্মানী ১২ লাখ ৬০ হাজার, ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সম্মানী ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১০ টাকা বছরে আয় করেন। তার মাসিক আয় ৯ লাখ ৩ হাজার ৫১৭ টাকা ১৭ পয়সা। অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে নিজ হাতে নগদ ২৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৮ টাকা ও স্ত্রীর হাতে নগদ আছে ২৬ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা রয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হলফনামা অনুযায়ী পেশায় ব্যবসায়ী ও পরামর্শক। কৃষিখাত থেকে বছরে তার আয় ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা। বাড়িভাড়া/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া বাবদ তার স্ত্রী বছরে আয় করেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৯৮৮টাকা। তিনি ব্যবসা থেকে আয় করেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৪টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত ১ লাখ ৪১ হাজার ১৮১/৮৭ টাকা। তার স্ত্রী শেয়ার থেকে ৮৪ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে আয় করেন ২০ লাখ টাকা। পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি) থেকে বছরে আয় করেন ৬ লাখ টাকা। চাকরি করে বছরে সম্মানী ভাতা পান ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। তার স্ত্রী চাকুরি থেকে বছরে আয় করেন ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪০ টাকা। তিনি বছরে ব্যাংক সুদ পান ২ হাজার ৮০৫টাকা। তার স্ত্রী ব্যাংক সুদ থেকে ২৬ হাজার ৯০৭ টাকা এবং ডিপিএস থেকে পান ১১ লাখ ১৯ হাজার ৩৮৮টাকা। মির্জা ফখরুলের বছরে আয় ১১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৩টাকা। মাসিক গড় আয় ৯৪ হাজার ২৮৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন- নগদ টাকা আছে ৪২ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৫/৩২ টাকা। তার স্ত্রীর হাতে আছে ৫ হাজার ৩১২ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ৪৩ হাজার ১৮১/৭৮ টাকা। তার স্ত্রীর আছে ২১ লাখ ৭২ হাজার ৮৭০/৭৪ টাকা। দি মির্জাস প্রা. লিমিটেডে উত্তরাধিকার সূত্রে তার শেয়ার আছে ৬৫৮টি। স্ত্রীর নামে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। স্ত্রীর কাছ থেকে প্রাপ্ত একটি প্রাইভেটকার আছে। তার স্ত্রীর ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৪০ টাকার একটি গাড়ি আছে। আছে ১০ ভরি সোনা, যা বিয়ের সময় দান হিসেবে পেয়েছেন। এছাড়া তার স্ত্রীর ২ লাখ টাকার স্বর্ণ আছে।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের চেয়ে তার স্ত্রীর আয় বেড়েছে প্রায় ৪৮ গুণ। মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। কামালের মোট বার্ষিক আয় ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। অন্যদিকে, তার স্ত্রীর মোট বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৬০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যার মধ্যে ব্যবসা থেকে আসে ৪৯ লাখ ২২ হাজার টাকা। এবারের হলফনামায় কামালের মোট অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি ১ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। কামাল তার অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ টাকা দেখিয়েছেন ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৮৫ টাকা। তার স্ত্রীর নগদ টাকার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ১০ ভরি ও তার স্ত্রীর ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে হলফনামা দেওয়া আছে। হলফনামায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, তার আয়ের মধ্যে রয়েছে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে ৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা। চাকরি ও মন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্ত বেতন ও ভাতা ২৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা। অন্যান্য ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

রাশেদ খান মেনন
বাম নেতা হিসেবে পরিচিত রাশেদ খান মেননের গত ১০ বছরে বিপুল উন্নতি হয়েছে। নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামা পর্যালোচনা করে এমন চিত্রের দেখা মিলেছে। তার উন্নতির পাশাপাশি তার স্ত্রীরও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তিনি সম্পদের পরিমাণে শূন্য থেকে হয়েছেন কোটিপতি। ১০ বছরে তার বাৎসরিক আয় প্রায় চারগুণ ও অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে তিনগুণের বেশি। অপরদিকে নবম ও দশম নির্বাচনী হলফনামায় তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি না থাকলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ টাকা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী মেননের স্ত্রীর নামে একটি বাড়ি রয়েছে। এটির মূল্যই ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ টাকা দেখানো হয়েছে।

সালমান এফ রহমান
হলফনামায় সালমান ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পাঁচটি খাতে তার আয় দেখিয়েছেন। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে হলফনামা অনুযায়ী তার নগদ টাকা রয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নগদ ৬০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৪৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা এবং ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার সোনার অলংকার রয়েছে। এছাড়াও সালমানের ৩৪ লাখ টাকার গাড়ি, ১৫ লাখ টাকার সোনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে সালমানের ২ কোটি ৩ লাখ ও তার স্ত্রীর ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার অকৃষিজমি রয়েছে। নিজের ৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকার দালান রয়েছে। তবে, স্ত্রীর নামে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ২৫ কোটি ১৯ লাখ ৭১ হাজার টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে। এছাড়া তার ৮৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকা দায়-দেনা রয়েছে। তার স্ত্রী ৪৪ লাখ ২ হাজার টাকার দেনাদার সালমান রহমানের কাছেই। তার স্ত্রী বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো হোল্ডিংয়ের কাছেও দেনাদার ১২ কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

হাজী সেলিম
পাঁচ বছরের ব্যবধানে ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ সদস্য হাজী সেলিমের স্ত্রীর হাতে নগদ টাকা বেড়েছে ২০৪ গুণ। এখন তার হাতে নগদ ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৫৭০ টাকা রয়েছে। ২০১৩ সালে তার কাছে নগদ টাকা ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে হাজী সেলিমের হাতে নগদ টাকা কমেছে। এর বিপরীতে হাজী সেলিমের হাতে নগদ রয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫৮ টাকা। ২০১৩ সালে এই আসনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া হলফনামায় তার হাতে নগদ ছিল ৫ লাখ ২০ হাজার ৩১৬ টাকা।

এছাড়াও শূন্য থেকে কোটিপতি হয়েছেন অনেক নেতা। তাদের মধ্যে প্রথমেই উঠে এসেছে যশোর-২ আসনের সাংসদ মনিরুল ইসলাম মনিরের নাম। সংসদ সদস্য হবার আগে মনিরের ব্যাংকে কোন টাকা ছিল না। এমনকি সে সময় তার স্থাবর সম্পত্তিও ছিল অনেক কম। এখন সেটি বেড়েছে ১৮৪ গুণ। দশম সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামায় মনিরুলের ব্যাংক একাউন্টে কোন টাকা ছিল না, ছিল না ডিপিএস ও ইন্স্যুরেন্স। কিন্তু এবারের হলফনামায় তার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণ দেখা যায়, ৯১ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৪ টাকা, ডিপিএস রয়েছে ৮ লাখ ৭০ হাজার ৯৬৩ টাকার এবং ৩ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৩ টাকার ইন্স্যুরেন্স রয়েছে। নিজ নামে ১৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের ৫ দশমিক ২ কাঠা জমি রয়েছে। তার চড়ে বেড়ানো জিপ গাড়ির মূল্য ৫৬ লাখ ৪৯ হাজার ৮৩০ টাকা। হলফনামায় মনিরুল ইসলাম মনির পেশায় আইন, বিমা কোম্পানির পরামর্শক। গত নির্বাচনের হলফনামায় কৃষিখাতে আয় দেখিয়েছিলেন ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

 

দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তির সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন : কোটিপতিরা ডুবে আছেন ঋণে

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ ডিসেম্বর/আরএইচ

এই সংবাদ ৫২৫ বার পঠিত।
ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

One thought on “দুই-এক জন কোটিপতি

Comments are closed.