সাদুল্লাপুর ভূমি কর্তা আজগর আলীর দূর্নিতী | আলোকিত প্রতিদিন

সাদুল্লাপুর ভূমি কর্তা আজগর আলীর দূর্নিতী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমিন বাজারের ভূমি শাখা অফিস সাদুল্লাপুরের ভূমি কর্মকর্তা আজগর আলী ভূমি মন্ত্রনালয়ের পরিপত্রও তোয়াক্বা করেননি। বিগত ২০/১০/২০১৯ ইং তারিখে খাগান, বিরুলিয়ার বাসিন্দা শহিদুল্লাহ সরকার অনলাইনে খাগান মৌজার একটি নামজারি জমাভাগের আবেদন করেন। যাহার নামজারি কেস নাম্বার ১৮১৮/২০১৯/২০। গত ০৭/১১/২০১৯ ইং তারিখে ভূমি কর্মকর্তা আজগের আলী, আবেদনকারী শহিদুল্লাহ সরকারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে জমির মূল কাগজপত্র দেখানোর জন্য ভূমি অফিসে আসতে বলেন।

এরপর শহিদুল্লাহ সরকার মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করে চলে আসেন।এদিকে ভূমি-কর্মকর্তা আজগর আলী নামজারি জমাভাগের কেসটি কোর্ট অব ওয়ার্ডস এর তালিকায় আছে বলে না-মনজুর করে আমিন বাজার ভূমি সার্কেল অফিসের সহকারী ভূমি কমিশনার, জনাব মো: জোবায়ের রহমান রাশেদ এর বরাবর প্রেরন করেন। ভূমি সেবা নেওয়ার জন্য ১৭/১১/২০১৯ ইং তারিখে শহিদুল্লাহ সরকার আমিন বাজার ভূমি সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারেন যে, তার নামজারি ফাইল না-মনজুর করে প্রেরন করা হয়েছে। ভূক্তভোগী শহিদুল্লাহ সরকার সাংবাদিকদের নিকট বিষয়টি অবহিত করেন।

সাংবাদিকগণ তদন্ত করে জানতে পারেন যে, সাদুল্লাপুর ভূমি কর্মকর্তা আজগর আলী প্রত্যেকটি নামজারি ফাইল এর বিনিময়ে ১৫০০ টাকা করে দালাল এর মাধ্যমে বিকাশ কিংবা রোকেটে ভূমি সেবা নামে ডিজিটাল ভাবে ঘুষের টাকা গ্রহন করেন। কেউ টাকা না দিলে তার নামজারি ফাইল না-মনজুর করে আমিন বাজার ভূমি সার্কেল অফিসে পাঠান এই প্রতারক সাদুল্লাপুরের ভূমি কর্মকর্তা আজগর আলী। তার সাথে এই ব্যপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘুষের টাকা গ্রহন করেন না বলে অস্বিকার করেন। কিন্তু স্থানীয় জনমাধ্যমে জানা যায় যে, এই ভূমি কর্ম কর্তা এইরকম ডিজিটাল ভাবে ঘুষ আদান-প্রদান করে থাকেন।

আলোকিত প্রতিদিন/নভেম্বর/১৭/এসএম

Seen 07:15
Chat conversation end

Type a message…

এই সংবাদ ৪২ বার পঠিত।
ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন